ঢাকার গাবতলীর একসময়ের জনপ্রিয় সিনেমা হল ‘পর্বত’। কালের পরিক্রমায় হলটির জৌলুশ হারিয়েছে। হলটি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের। দীর্ঘদিন যাবৎ বন্ধ থাকার পর এবার ভেঙে ফেলা হচ্ছে হলটি। বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন ডিপজল।
হল-সংকটের এই সময়ে সম্প্রতি ৬৪ জেলায় সিনেমার হল বানানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন ডিপজল। জানিয়েছিলেন কম খরচে দর্শক যেন হলে সিনেমা দেখতে পারে, সেই পরিকল্পনা করেই নির্মিত হবে হলগুলো।
ডিপজলের এমন ঘোষণার পর পর্বত সিনেমা হল ভাঙার খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডিপজলের সমালোচনা করছেন নেটিজেনরা। তবে ডিপজল জানান, পর্বত সিনেমা হল ভেঙে মার্কেট তৈরি হলেও সেখানে সিনেমা হলও থাকবে। সেখানে তিনটি হল নিয়ে তৈরি হবে মাল্টিপ্লেক্স।
আজকের পত্রিকা’কে ডিপজল বলেন, ‘পর্বত সিনেমা হল ভেঙে ফেলার খবরটি সত্য। সেখানে মার্কেট করা হবে। মার্কেটের ওপরে তিনটি স্ক্রিন নিয়ে মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।’
নব্বইয়ের দশকে দেশে প্রায় ১ হাজার ২৫০ সিনেমা হল ছিল। সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে দেড় শতে। এর মধ্যে প্রায় ৬০টি সিনেমা হল পুরোদমে সচল।
বিনোদন সম্পর্কিত আরও খবর পড়ুন:

এই রোজার ঈদে নিজের তৃতীয় সিনেমা নিয়ে আসছেন আফরান নিশো। সত্য ঘটনা অবলম্বনে ‘দম’ নামের সিনেমাটি বানিয়েছেন রেদওয়ান রনি। ঈদের সময় ঘনিয়ে এলেও সিনেমার প্রচার খুব একটা চোখে পড়ছিল না। অবশেষে অফিশিয়াল পোস্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দমের আনুষ্ঠানিক প্রচার।
৫ ঘণ্টা আগে
লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের রঙিন দুনিয়ায় থাকেন চলচ্চিত্রের মানুষেরা। যশ আর খ্যাতি যেন ঘিরে থাকে চারপাশ। শেষ বয়সে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখার অভিজ্ঞতাও হয় অনেকের। বয়স হয়েছে বলে কেউ তাঁদের কাজে নিতে চান না, এমনকি খোঁজখবরও নেন না—সিনিয়র শিল্পীদের মুখে প্রায়ই এমন আক্ষেপের কথা শোনা যায়।
৫ ঘণ্টা আগে
স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় অভিনেতা যাহের আলভীকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার পল্লবী থানায় ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে এই মামলা করেন। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান।
৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যবিত্তের টানাপোড়েনের গল্পে তৈরি হলো বিটিভির এ সপ্তাহের নাটক ‘থাকে তবু ভালোবাসা’। একটি পরিবারকে ঘিরে কাহিনি। অভিনয় করেছেন গোলাম কিবরিয়া তানভীর, নাবিলা ইসলাম, শিশুশিল্পী নাবিহাসহ অনেকে। নাটকের টাইটেল গান লিখেছেন জনি হক। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন মুরাদ নূর। কণ্ঠ দিয়েছেন সেনিজ।
১৮ ঘণ্টা আগে