
সম্প্রতি আলোচনায় আসা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সনদ বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর খানের স্ত্রী শেহেলা পারভীনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সনদ বিক্রির অভিযোগে সাইবার নিরাপত্তা আইনের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ডিবি সূত্র বলছে, রোববার (২১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে। এর আগে শনিবার (২০ এপ্রিল) শেহেলা পারভীনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে গোয়েন্দা পুলিশের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।
গত ১ এপ্রিল একই অভিযোগে গ্রেপ্তার হন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সিস্টেম অ্যানালিস্ট প্রকৌশলী এ কে এম শামসুজ্জামান। ডিবি সূত্র বলছে, শামসুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদে শেহেলা পারভীনের নাম উঠে আসে।
এ ছাড়া গত ৪ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের লালবাগ বিভাগের ডিসি মশিউর রহমান গ্রেপ্তার শামসুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে বলেন, সনদ বাণিজ্যের নানা প্রক্রিয়ায় তাঁর কাছে গ্রাহক নিয়ে আসতেন দেশের আনাচে কানাচে গড়ে ওঠা কারিগরি স্কুল ও কলেজের প্রধান শিক্ষক ও প্রিন্সিপালেরা। যেসব প্রধান শিক্ষক ও প্রিন্সিপাল মধ্যস্থতা করে গ্রাহক নিয়ে আসতেন, তাঁদের নামের দীর্ঘ তালিকা এসেছে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে। সনদ বাণিজ্যের বিষয়ে বোর্ডের ছোট–বড় সব কর্মকর্তা জানতেন বলেও উল্লেখ করেন এ গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী লক্ষীদাড়ি গ্রামে পারিবারিক বিরোধে তাছলিমা খাতুন (৩৫) নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার মধ্যরাতে লক্ষীদাড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত স্বামী সাদ্দাম হোসেন পলাতক রয়েছেন।
৪ মিনিট আগে
কক্সবাজারের উখিয়ায় বিএনপির সমর্থক এক যুবকের ফেসবুক পোস্টে হা হা রিঅ্যাক্ট দেওয়ার জেরে হামলায় সৈয়দা খাতুন (৫০) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলা সদরের টাইপালং এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত সৈয়দা খাতুন ওই এলাকার বাসিন্দা সব্বির আহমেদের স্ত্রী।
২৭ মিনিট আগে
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক নাসির ইসলামের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছেন চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তাঁরা মানববন্ধন ও কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচি পালন করেছেন।
৩৬ মিনিট আগে
ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের কড়ৈতলী গ্রামের ঐতিহাসিক জমিদারবাড়িটি এখন কালের সাক্ষী হয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। নেই জমিদার, নেই জমিদারি—রয়ে গেছে শুধু অতীত ঐতিহ্যের নিঃশব্দ স্মারক। বাংলা প্রবাদের ‘সেই রাম নেই, নেই রাজত্ব’ বাণীটি যেন পুরোপুরি মিলে গেছে এই বাড়ির সঙ্গে।
১ ঘণ্টা আগে