ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ নিয়ে আলোচনা তো থামছেই না। মারাকানায় বুধবার বাংলাদেশ সময় ভোরে আয়োজিত সুপারক্লাসিকো বলতে গেলে পুরোটা সময় জুড়েই ছিল উত্তপ্ত। উত্তপ্ত ম্যাচ নিয়ে বেরিয়ে আসছে একের পর এক ঘটনা।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সেই ম্যাচে মারাকানায় ফুটবলের চেয়ে শারীরিক শক্তি প্রদর্শনেই যেন বেশি ব্যস্ত ছিলেন খেলোয়াড়েরা। ম্যাচ চলা অবস্থায় ফুটবলারদের মধ্যে চলে কথার লড়াই। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওআইসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, লিওনেল মেসি ও রদ্রিগো দি পলের সঙ্গে কথার লড়াই হয়। আর্জেন্টাইন দুই ফুটবলারকে উদ্দেশ্য করে রদ্রিগোর ‘কাপুরুষ’ শব্দ বলার কথা শোনা যায়। এর পরই মেসি জবাব দিয়েছেন এই বলে, ‘আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। কীভাবে আমরা কাপুরুষ? নিজের মুখের দিকে তাকাও।’ এরপর ম্যাচ শেষে সামাজিক মাধ্যমে রদ্রিগোকে উদ্দেশ্য করে ভক্ত-সমর্থকেরা নানা রকম বর্ণবাদী মন্তব্য করতে থাকেন। ব্রাজিলের তরুণ ফরোয়ার্ড পরশু রাতে এক স্ট্যাটাস দিলে তা ভাইরাল হয়ে যায় মুহূর্তেই। চোটে পড়ায় নেইমার এই ম্যাচে খেলতে না পারলেও সতীর্থের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে নেইমার লিখেছেন, ‘তোমার সাফল্য অনেকের সহ্য হচ্ছে না। কখনো থামবে না।’
এর আগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বর্ণবাদ নিয়ে পুরো বিশ্ব উত্তাল হয়ে উঠেছিল। এরপর গত পরশু ইনস্টাগ্রামে রদ্রিগোর স্ট্যাটাস যেন বর্ণবাদীদের ভয়ংকর আচরণ সম্পর্কে সবাইকে স্পষ্ট অনেক কিছু বুঝিয়ে দিয়েছে। ২২ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার লিখেছেন, ‘বর্ণবাদীরা সব সময় তৎপর। আমার সামাজিক মাধ্যম আজেবাজে মন্তব্যে ভরে গেছে। তাদের চাওয়া-পাওয়া অনুযায়ী কিছু যদি না করি, যদি আমাদের পোশাক তাদের বিরক্তির কারণ হয়, আক্রমণের শিকার হওয়ার পর যখন আমরা মাথা নত না করি, বর্ণবাদীরা তখনই অপরাধমূলক কাজে তৎপর হয়ে ওঠে। তবে এটা তাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা থামব না।’ এরপর রদ্রিগোর বাবা এরিক গোয়েজ ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘এই ছেলে কারও সঙ্গে ঝামেলায় জড়ায় না।’

বিশ্বকাপের ‘এল’ গ্রুপে ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে নাটকীয় এক জয় তুলে নিয়েছে ঘানা। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ক্যালেব ইরেনকির করা একমাত্র গোলে পানামাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে আফ্রিকার দলটি।
১৯ মিনিট আগে
টুখেলের সেই চালেরই চূড়ান্ত ফসল আসে ৮৫ মিনিটে। ডান প্রান্ত দিয়ে বুকায়ো সাকার নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে বক্সে ডিফেন্ডারকে বোকা বানান মার্কাস রাশফোর্ড। এরপর লিভাকোভিচকে পরাস্ত করে তার নেওয়া নিখুঁত বাঁকানো শটটি যখন জাল ছুঁল, ক্রোয়েশিয়ার ফেরার সব পথও তখন বন্ধ হয়ে যায়। এই ৪-২ গোলের জয় প্রথম ম্যাচে টুখেলকে য
৪ ঘণ্টা আগে
ম্যাচ শুরুর খানিক আগে দৃশ্যটা দেখা গেল। বন্ধু সার্জিও আগুয়েরো ডাগআউটের কাছে ব্যস্ত ছিলেন টিভি শো নিয়ে। গা গরম শেষে মেসি এগিয়ে এলেন, বন্ধুকে ভালোবাসা জানালেন। এ দৃশ্যে করতালির শব্দ ভেসে এল কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামের পরিপূর্ণ গ্যালারি থেকে।
৬ ঘণ্টা আগে
এক পাশে ৪১ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর আরেকটি বিশ্বকাপ রাঙানোর মিশন, আরেক পাশে ৫২ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফেরা ডিআর কঙ্গোর অস্তিত্বের লড়াই। ডালাসের মাঠে শক্তির বিচারে পর্তুগাল যোজন যোজন এগিয়ে থাকলেও মাঠের ফুটবলে তার ন্যূনতম প্রতিফলন মিলল না। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে পুরো ৯০ মিনিট বোতলবন্দী করে রাখার
৭ ঘণ্টা আগে