
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ৬ ট্রাকে ৬০ টন ভারতীয় কাঁচা মরিচ বাংলাদেশে এসেছে। আজ রোববার দুপুরে এই কাঁচা মরিচ প্রবেশ করে। ভোমরা স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী আমির হামজা আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রতি টন কাঁচা মরিচের এলসিমূল্য ৪৫০ মার্কিন ডলার। সেই হিসাবে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম পড়ে প্রায় ৫০ টাকা। দেশে এ মরিচ ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি করা সম্ভব।
ভোমরা স্থলবন্দরের আরেক ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, প্রতিদিন যদি ভোমরা থেকে ৩০-৪০ ট্রাক কাঁচা মরিচ বাংলাদেশে ঢোকে, তাহলে দাম এমনিতেই কমে যাবে।
ভোমরা স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেশীয় বাজারে ঝালের দাম এবার স্থিতিশীল হবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পরে আজ প্রথম দিনেই এ পর্যন্ত ছয় ট্রাক কাঁচা মরিচ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। সন্ধ্যার দিকে আরও মরিচ ঢুকবে। আমাদের যথেষ্ট এলসি ও আইপি পারমিশন আছে। আগামীকাল থেকে প্রতিদিন ২০-২৫ ট্রাক কাঁচা মরিচ ঢুকবে। তখন বাজারে একটা স্থিতিশীল অবস্থা চলে আসবে।’
প্রসঙ্গত, বর্ষা মৌসুমে দেশি কাঁচা মরিচের উৎপাদন কমে গেছে। পাশাপাশি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারসাজিতে দেশি মরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত।

মুসান্না গালিব মিমের মা-বাবা অন্যত্র বসবাস করায় তিনি নিজ বাড়িতে একাই থাকতেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাঁর বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর পচন ধরা মরদেহ উদ্ধার করে।
১ ঘণ্টা আগে
অগ্নিকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে ভবনের বিভিন্ন তলায় থাকা রোগী, তাদের স্বজন, হাসপাতালের স্টাফ, নার্স ও চিকিৎসকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়োহুড়ি করে রোগীদের ভবন থেকে নিচে নামিয়ে সড়ক ও হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
১ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণপিপাসুদের অন্যতম আকর্ষণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেট। ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ সাত দিনের ছুটিতে পর্যটক বরণের অপেক্ষায় সবুজ চা-বাগান, পাহাড়, ঝরনা, ভেসে আসা পাথর আর স্বচ্ছ জলরাশি। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে আরও অপরূপ সাজে সেজেছে শুষ্ক চা-বাগান, ঝরনা ও পাথরের নদী।
৭ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে দিনদুপুরে শীতলক্ষ্যা নদী তীরের মাটি লুট করে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। ডাম্প ট্রাক ও ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে এসব মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়। সেখান থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাটিখেকো চক্র অনেক প্রভাবশালী। আর প্রশাসনও এদের বিরুদ্ধে কোনো কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
৮ ঘণ্টা আগে