সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হিরো আলমের পেজ ব্যবহার করে গালাগালির অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন নায়িকা রিয়া চৌধুরী। গতকাল শুক্রবার ডিএমপির বাড্ডা থানায় তিনি জিডি করেন।
আজ শনিবার জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাড্ডা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রউফ। তিনি বলেন, গতকাল জিডি হয়েছে। জিডির একটি কপি ডিএমপির সাইবার ক্রাইমে পাঠানো হয়েছে। সাইবার ক্রাইম বিষয়টি তদন্ত করবে। সাইবার ক্রাইমের তদন্তের পর এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
জিডিতে রিয়া চৌধুরী অভিযোগ করেন, ‘গত ৭ জুন বিকেলে হিরো আলমের ফেসবুক পেজ ‘হিরো আলম বগুড়া’ থেকে রিয়ামণি (২৭) নামের এক মেয়ে অশ্লীল গালাগালি করে। এর পেছনে হিরো আলমের ইন্ধন রয়েছে। যে কারণে আমার সামাজিকভাবে মানহানি ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য–উপাত্ত না থাকার কারণে আপাতত সাধারণ ডায়েরি করা হলো। ভবিষ্যতে তথ্য–উপাত্তের ভিত্তিতে/প্রয়োজন সাপেক্ষে মামলার আবেদন করা হবে।’
জিডির বিষয়ে জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, ‘আমার পেজ থেকে একটি ভিডিও আপলোড হয়েছে। এতে যে বক্তব্য আছে তাতে রিয়া চৌধুরীর নাম বলা হয়নি। কিন্তু সে অভিযোগ করছে তাঁকে নাকি গালিগালাজ করা হয়েছে। আর পেজতো আমি চালাই না। পেজ অ্যাডমিনরা চালায়। সে প্রমাণ করুক যে আমি তাঁকে গালিগালাজ করেছি। এছাড়া জিডি কোনো ফ্যাক্টর নাকি।’

প্রায় তিন মাস ধরে হরমুজ প্রণালি পারের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটিতে থাকা ৩১ নাবিকের সবাই বাংলাদেশি। গত ঈদুল ফিতর জাহাজে কেটেছে তাঁদের। ঈদুল আজহাও জাহাজেই কাটানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় ৯টি পশুর হাট রয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চলতি ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য এসব হাটের ইজারা দিতে দরপত্র আহ্বান করেছিল উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত দরপত্র না পাওয়ায় চারটি হাটের ইজারা হয়নি। যে পাঁচটি ইজারা দেওয়া হয়েছে, তা-ও আবার গত বছরের তুলনায় অর্ধেকের কম দরে।
৫ ঘণ্টা আগে
টানা বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের বোরোচাষিদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জমিতে পানি জমে পাকা ধান তলিয়ে গেছে। আবার কেটে আনা ধান ও খড় শুকাতে না পারায় পচন ধরছে। এতে লাভ তো দূরের কথা, উৎপাদন খরচ তুলতে পারবেন কি না, সেই শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকেরা।
৫ ঘণ্টা আগে
বন্দরের সুবিধা, কাঁচামালের প্রাচুর্য ও রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে একসময় সমৃদ্ধ ছিল চট্টগ্রামের ট্যানারি-শিল্প। কিন্তু বিনিয়োগ সংকট, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পিছিয়ে পড়া এবং বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় গত তিন দশকে প্রায় পুরো শিল্পই ভেঙে পড়েছে। গড়ে ওঠা ২২ ট্যানারির মধ্যে ২১টি বন্ধ হয়ে গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে