সোমবার, ২৭ মে ২০২৪

সেকশন

 

তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রীর মামলায় সাক্ষ্য দিলেন দুদক উপপরিচালক

আপডেট : ২১ মে ২০২৩, ২০:৪৭

তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রীর। ফাইল ছবি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের মামলায় সাক্ষ্য দিলেন মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক ড. মো. জহিরুল হুদা। আজ রোববার সকালে ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে দুদকের বিশেষ পিপি মোশারফ হোসেন কাজলের মাধ্যমে তিনি হাজিরা দেন। পরে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিচারক মো. আছাদুজ্জামান সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। আদালত ২৫ মে পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন।

সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পর্কে দুদকের বিশেষ পিপি মোশারফ হোসেন কাজল আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাদী আসামিদের বিরুদ্ধে এজাহারে বর্ণিত ঘটনা তুলে ধরেছেন। তবে দুই আসামি পলাতক থাকায় তাঁদের পক্ষে কোনো জেরা হয়নি। 

এর আগে গত ১৩ এপ্রিল তারেক রহমান ও ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। এই দুজনই পলাতক থাকায় তাঁদের পক্ষে ব্যক্তিগত আইনজীবী নিয়োগের আবেদন ওই দিন নামঞ্জুর করা হয়।

এই মামলায় গত ৩১ জানুয়ারি তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানকে আদালতে হাজির হতে বিজ্ঞপ্তি (গেজেট) প্রকাশ করা হয়। সরকারি মুদ্রণালয় থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। আদালত বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ রয়েছে যে, তাঁরা গ্রেপ্তার ও বিচার এড়াতে আত্মগোপনে রয়েছেন। সেহেতু তাঁদের ধার্য তারিখের (গত ৬ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় তাঁদের অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ সম্পন্ন করা হবে। গত ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁরা আদালতে হাজির না হওয়ায় অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ সম্পন্নের জন্য মামলা প্রস্তুত করা হয়। 

গত ৫ জানুয়ারি দুজনের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন একই আদালত। গত বছরের ১ নভেম্বর এই দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ওই দিন দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করে পরোয়ানা জারি করা হয়। 

২০০৮ সালে ডা. জোবাইদাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অন্য দুজন হলেন তারেক রহমান ও জোবাইদার মা ইকবাল মান্দ বানু। এরপরই মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন জোবাইদা। ওই বছরই এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন। এ-সংক্রান্ত চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল হাইকোর্ট জোবাইদার করা মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ (রুল ডিসচার্জ) করে রায় দেন। একই সঙ্গে ওই মামলায় আট সপ্তাহের মধ্যে জোবাইদাকে বিচারিক আদালতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেওয়া হয়। উচ্চ আদালতের এই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে ওই বছরই লিভ টু আপিল করেন জোবাইদা। গত বছর ১৩ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ লিভ টু আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন। এর ফলে ডা. জোবাইদার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা চলতে আইনগত বাধা কেটে যায়। এই পরিস্থিতিতে নিম্ন আদালতে জোবাইদার মামলা আবার সচল হয়। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় এই মামলা করে দুদক। মামলায় তারেক রহমান, জোবাইদা রহমান ও তাঁর মা অর্থাৎ তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়।

উল্লেখ্য, তারেক রহমানের শাশুড়ি মারা যাওয়ায় এই মামলা থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     

    চলতি বছর ডেঙ্গু দেশের জন্য অশনিসংকেত

    ঢাকার প্রধান প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলবে না: ডিএমপি 

    দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশের আহ্বান টিআইবির

    মহাসড়কে অটোরিকশা চালানোর দাবিতে চালকদের বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিপেটা

    খিলগাঁওয়ে পুলিশের রেকার গাড়ির ধাক্কায় আহত ৫

    ঘূর্ণিঝড় রিমাল: দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

    ১০২ কিমি বেগে উপকূলে ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাত, জোয়ার-জলোচ্ছ্বাসে প্লাবণ

    উপকূল জুড়ে চলছে রিমালের তাণ্ডব

    এবার কাতার এয়ারওয়েজের বিমান ঝোড়ো বাতাসের কবলে, আহত ১২

    শর্ত পূরণ না করায় সহজ ডটকমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

    চলতি বছর ডেঙ্গু দেশের জন্য অশনিসংকেত

    এমআরসিপিতে সর্বোচ্চ নম্বরের রেকর্ড গড়লেন ডা. হালিম