অনেকেই ভয় পেতে ভালোবাসেন। ভয়ের মধ্যে একটা আলাদা রোমাঞ্চ আছে। পৃথিবীতে এমন কিছু রাইড আছে, যেগুলো শুধু ভয়ংকরই নয়, দুঃস্বপ্নের মতো। আর যাঁরা এই রোমাঞ্চ উপভোগ করতে চান, তাঁরা খুঁজে নেন সেই রাইডগুলো। মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে পৃথিবীর অনেকেই উপভোগ করেন এই রোমাঞ্চ। অনেকেই চলে যান এক দেশ থেকে অন্য দেশে।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুসারে, আমেরিকার দ্রুততম রোলার কোস্টার এবং বিশ্বের দ্বিতীয় দ্রুততম রোলার কোস্টারের নাম কিংডা কা। এটি নিউজার্সির সিক্স ফ্ল্যাগ গ্রেট অ্যাডভেঞ্চার থিম পার্কে অবস্থিত। এটি প্রতি ঘণ্টায় ১২৮ মাইল বেগে ছোটে। কিংডা কা লম্বা রোলার কোস্টার। এটি খাড়া ৯০ ডিগ্রি কোণে ওঠে আবার ৯০ ডিগ্রিতে নিচে নামে। অর্থাৎ ১৮০ ডিগ্রির মজা নিতে পারবেন আরোহীরা।
আরও একটি ভয়ংকর রাইড হলো স্লিংশট রোলার কোস্টার। এই রাইডটি ৩৬০ ফুট উঁচুতে আরোহণকারীদের নিয়ে গিয়ে ফুটবলের মতো খেলবে! এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যালেন্সিয়ার সিক্স ফ্ল্যাগ ম্যাজিক মাউনটেনে অবস্থিত।

জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ হোক্কাইদো। সেখানকার সবুজ প্রান্তর, বরফগলা হ্রদ আর বিশাল প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যটকদের আকর্ষণে বাধ্য করে। শুধু তা-ই নয়, দ্বীপটি আধুনিক রূপচর্চার জগতে তৈরি করেছে এক অনন্য বিপ্লব। প্রচলিত রাসায়নিক উপাদানের কৃত্রিমতা ছাড়িয়ে প্রকৃতির কোল থেকে পাওয়া একদম খাঁটি কাঁচামাল দিয়ে
২ ঘণ্টা আগে
রোদ থেকে চোখ বাঁচাতে সানগ্লাস ব্যবহার করেন অনেকেই। তবে সানগ্লাস কেনার সময় লেন্স যত গাঢ়, সুরক্ষা তত বেশি এমন ধারণা বেশ প্রচলিত। আবার কেউ কেউ মনে করেন, রঙিন লেন্স মানেই সেটি অতিবেগুনি রশ্মি বা ইউভি রশ্মি থেকে চোখের সুরক্ষা দেবে। বাস্তবে বিষয়টি এতটা সরল নয়। চোখের সুরক্ষার জন্য লেন্সের
৪ ঘণ্টা আগে
ব্যস্ত দিনের মাঝে আমরা অনেক সময় এক কাপ চা বা কফি হাতে নিয়ে একটু বসতে চাই। কিন্তু সেই ‘একটু বসা’ কখনো হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গে কথা বলার, হাসি ভাগ করে নেওয়ার কিংবা দিনের ক্লান্তি একটু দূরে সরিয়ে রাখার একটি সুবর্ণ সুযোগ। সুইডেনে এমন বিরতিকেই দেওয়া হয়েছে বিশেষ এক নাম—ফিকা। সেখানে কফি খাওয়ার এই মুহূর্ত শুধু
৬ ঘণ্টা আগে
মায়ের পর একে একে পাঁচ ভাইবোনকে যেন চোখের সামনে হারিয়ে যেতে দেখেছেন বার্ব। তাঁরা কেউই মারা যাননি, কিন্তু বয়স চল্লিশের কোঠায় পৌঁছানোর পর আচরণে এমন পরিবর্তন আসতে শুরু করে যে, ধীরে ধীরে তাঁরা হয়ে ওঠেন নিজেদেরই অচেনা মানুষ।
১৬ ঘণ্টা আগে