রোদ থেকে চোখ বাঁচাতে সানগ্লাস ব্যবহার করেন অনেকেই। তবে সানগ্লাস কেনার সময় লেন্স যত গাঢ়, সুরক্ষা তত বেশি এমন ধারণা বেশ প্রচলিত। আবার কেউ কেউ মনে করেন, রঙিন লেন্স মানেই সেটি অতিবেগুনি রশ্মি বা ইউভি রশ্মি থেকে চোখের সুরক্ষা দেবে। বাস্তবে বিষয়টি এতটা সরল নয়। চোখের সুরক্ষার জন্য লেন্সের রং, ইউভি সুরক্ষা, আলো প্রবেশের মাত্রা সবকিছু বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সানগ্লাসের লেন্স যত গাঢ় হবে, চোখের সুরক্ষা তত বেশি হবে, এ ধারণা ঠিক নয়। লেন্সের রং বা গাঢ়ত্বের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সেটিতে যথাযথ অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা স্তর আছে কি না। তাই সানগ্লাস কেনার সময় শুধু কালো বা গাঢ় রঙের লেন্স দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে ইউভি প্রটেকশনের তথ্য দেখে নিন। বিশেষ করে ইউভি৪০০ লেখা আছে কি না, তা খেয়াল করুন। ইউভি৪০০ বলতে এমন সুরক্ষা বোঝায়, যা প্রায় সব ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি আটকে দিতে সক্ষম।

নীল, বাদামি, ধূসর কিংবা অন্য কোনো রঙের লেন্স দেখে সেটিকে ইউভি সুরক্ষাযুক্ত ধরে নেওয়া ঠিক নয়। লেন্সের রঙের পাশাপাশি সানগ্লাসে ইউভি সুরক্ষার উল্লেখ রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করুন।
সানগ্লাসের লেন্সের রং শুধু ফ্যাশনের বিষয় নয়, কোন পরিবেশে সেটি ব্যবহার করা হচ্ছে তার ওপরও এর কার্যকারিতা নির্ভর করতে পারে। তাই ভ্রমণ বা বাইরে দীর্ঘ সময় থাকার ক্ষেত্রে লেন্সের রং বেছে নেওয়ার আগে সেটি কোন ধরনের আলোয় ব্যবহার করবেন, তা বিবেচনা করুন। হলুদ রঙের লেন্স কম আলো বা আবছা পরিবেশে কাজে লাগতে পারে। তবে তীব্র আলোতে দীর্ঘ সময় ব্যবহারের জন্য এটি সবার জন্য আরামদায়ক না-ও হতে পারে। নীল রঙের লেন্সও বাইরে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতার সঙ্গে বেছে নেওয়া উচিত। লাল বা গোলাপি রঙের লেন্স অনেক সময় কনট্রাস্ট বাড়াতে পারে, তবে এগুলোর ক্ষেত্রেও ইউভি সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।

ধূসর লেন্স সাধারণত বাইরের উজ্জ্বল আলো কমিয়ে দেয়, অথচ চারপাশের রং তুলনামূলক স্বাভাবিকভাবে দেখতে সাহায্য করে। তাই দৈনন্দিন বাইরে চলাফেরা কিংবা বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলায় এটি ব্যবহার করা যায়। বাদামি লেন্স কনট্রাস্ট ও গভীরতা বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। ফলে গাড়ি চালানো বা কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে এটি আরামদায়ক মনে হয়। সবুজ লেন্সও আলো কমানোর পাশাপাশি কনট্রাস্ট ও রঙের স্বচ্ছতার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করতে পারে।
শুধু লেন্সের রং নয়, সেটি কতটা আলো চোখে প্রবেশ করতে দিচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত সানগ্লাসের ফিল্টার ক্যাটাগরি শূন্য থেকে ৪ পর্যন্ত ভাগ করা হয়। ক্যাটাগরি শূন্য কম আলো বা ঘরের ভেতরের ব্যবহারের জন্য, মেঘলা আবহাওয়ার জন্য এবং সাধারণ দিনের আলোর জন্য উপযোগী হতে পারে। ক্যাটাগরি ৩ উজ্জ্বল রোদে বাইরে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশি উপযোগী। আর ক্যাটাগরি ৪ তীব্র রোদ, পানি বা বরফের ওপরের প্রবল প্রতিফলিত আলোতে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়। তবে ক্যাটাগরি ৪-এর লেন্স গাড়ি চালানোর জন্য উপযুক্ত নয়।
সানগ্লাস কেনার সময় লেন্সে আঁচড় বা রঙের অসমতা আছে কি না, তা দেখে নিন। দুই পাশের লেন্সের বাঁক ও আকৃতি সমান কি না, সেটিও খেয়াল করুন। লেন্সের আকার এমন হওয়া ভালো, যাতে সরাসরি সূর্যের আলো চোখে কম প্রবেশ করে। ফ্রেমও হতে হবে মজবুত ও স্থিতিশীল। পরার পর ফ্রেম বেঁকে যাচ্ছে কি না কিংবা চোখের সামনে লেন্সের অবস্থান ঠিক আছে কি না, তা পরীক্ষা করুন।
সূত্র: রোজিঅ্যালান

ব্যস্ত দিনের মাঝে আমরা অনেক সময় এক কাপ চা বা কফি হাতে নিয়ে একটু বসতে চাই। কিন্তু সেই ‘একটু বসা’ কখনো হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গে কথা বলার, হাসি ভাগ করে নেওয়ার কিংবা দিনের ক্লান্তি একটু দূরে সরিয়ে রাখার একটি সুবর্ণ সুযোগ। সুইডেনে এমন বিরতিকেই দেওয়া হয়েছে বিশেষ এক নাম—ফিকা। সেখানে কফি খাওয়ার এই মুহূর্ত শুধু
৩ ঘণ্টা আগে
মায়ের পর একে একে পাঁচ ভাইবোনকে যেন চোখের সামনে হারিয়ে যেতে দেখেছেন বার্ব। তাঁরা কেউই মারা যাননি, কিন্তু বয়স চল্লিশের কোঠায় পৌঁছানোর পর আচরণে এমন পরিবর্তন আসতে শুরু করে যে, ধীরে ধীরে তাঁরা হয়ে ওঠেন নিজেদেরই অচেনা মানুষ।
১৪ ঘণ্টা আগে
আজকাল ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের ফিড স্ক্রল করলেই ভেসে ওঠে আবেগঘন ভালোবাসার মুহূর্ত। কোনোটিতে দেখা যায়, নদীর তীরে বা কোনো ছাদের রঙিন আলোকসজ্জায় হাঁটু গেড়ে প্রিয় মানুষটির দিকে আংটি ও একগুচ্ছ তাজা গোলাপ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আবার কোনোটিতে দেখা যায় একদম সারপ্রাইজ আয়োজনে চোখের জল আর হাসির আবহে আংটি বদল...
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রতিদিনের ব্যস্ততায় হঠাৎ মনে হতে পারে মাসের পর মাস কেটে যাচ্ছে, কিন্তু জীবনের দিনগুলো যেন স্মৃতিহীন একটি ঝাপসা ক্যানভাস। সকালে গাড়ি বা বাইক চালিয়ে কর্মস্থলে যাওয়া, দুপুরের খাবার খাওয়া বা রাতের আড্ডা। কোনো কিছুই যেন স্পষ্টভাবে মনে নেই। জীবন যখন কোনো বিশেষ অনুভূতি ছাড়া কেবল অভ্যাসের বশে চলতে
১৮ ঘণ্টা আগে