
পঞ্চগড়ে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের (কাদিয়ানি) জলসা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ ও মুসল্লিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ জুমার নামাজের পর পঞ্চগড় শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।
জানা গেছে, জুমার নামাজ শেষে বিভিন্ন মসজিদ থেকে মুসল্লিরা চৌরঙ্গী মোড়ে সমবেত হতে থাকেন। এরপর মিছিল বের করা হয়। আকস্মিকভাবে মিছিল থেকে ইটপাটকেল ছুড়লে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বেধে যায়। চলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া। এতে তিন পুলিশ সদস্য, দুজন সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হন।
একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ মুসল্লিরা শহরের ধাক্কামারা এলাকায় গিয়ে ট্রাফিক পুলিশের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করলে কার্যালয়টি ভস্মীভূত হয়ে যায়। তাঁরা পঞ্চগড় বাজারে আহমদিয়াদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাট করেন এবং প্রতিষ্ঠানের মালামালে আগুন ধরিয়ে দেন। আতঙ্কে শহরের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। লোকজনের যাতায়াতও কমে গেছে।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিঞা বলেন, ‘পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ সুপার (এসপি) ঘটনাস্থলে আছেন। মুসল্লিদের হামলায় পুলিশ ও বিজিবির গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সচেষ্ট আছে।’
এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আহমদিয়াদের বাড়িঘরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার এস এম সিরাজুল হুদা।

বগুড়ার লাল মরিচের সুনাম দেশজুড়ে। এখানকার মরিচের রং ও গুণগত মান তুলনামূলক ভালো। এ কারণে চাহিদাও বেশি। এবার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম জমিতে মরিচের আবাদ হলেও অনুকূল আবহাওয়া ও ভালো ফলনের কারণে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
নওগাঁর আত্রাইয়ে ঠিকাদার ও কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে সড়কের গাইড ওয়াল (ব্রিক প্যালাসাইড) নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গাইড ওয়ালের পাশ থেকে মাটি কেটে ভরাট করায় সড়ক ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবার যেখানে পানির চাপ সেখানে গাইড ওয়াল না করে ফাঁকা রাখা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলে সিট বরাদ্দ নিয়ে নানা বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হলের পুরোনো শিক্ষার্থীরা তাঁদের পছন্দের ‘ছোট ভাইদের’ সিটে তুলেছেন। এ কারণে হল প্রশাসন সিট বরাদ্দ দিলেও সেখানে নতুন শিক্ষার্থীরা উঠতে পারছেন না।
৫ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে কালনী-ধলেশ্বরী নদীর সংযোগকারী গজিয়া খালে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও বাজার। ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে বাঙ্গালপাড়া ইউপি ভবন, বাজার ও বসতি। আর কালনী নদীর প্রবল স্রোতে প্রতিদিন ভাঙছে কয়েক কোটি টাকার ‘বাঙ্গালপাড়া-চাতলপাড়’ সড়ক।
৫ ঘণ্টা আগে