
ইউক্রেন থেকে নিঃশর্তভাবে রাশিয়ার সব সেনা শিগগির প্রত্যাহারের দাবি এবং যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস হয়েছে। তবে তাতে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল বাংলাদেশ।
যুদ্ধের বর্ষপূতির দিনে আজ শুক্রবার সাধারণ পরিষদের জরুরি বিশেষ অধিবেশনে পাস হওয়া এই প্রস্তাবের পক্ষে ১৪১টি ভোট পড়েছিল। এতে বাংলাদেশ ছাড়াও ৩১টি দেশ ভোট দেয়নি আর বিপক্ষে ভোট দিয়েছে রাশিয়া সাতটি দেশ।
ভোটদানে বিরত দেশের মধ্যে রয়েছে ভারত, চীন, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা, কিউবা, কঙ্গো, আর্মেনিয়া ও ভিয়েতনাম। তার সঙ্গে সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ার অধীনে থাকা কিরগিজিস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তানও নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছে।
আর প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেওয়া অন্য দেশগুলো হলো- বেলারুশ, উত্তর কোরিয়া, ইরিত্রিয়া, মালি, নিকারাগুয়া ও সিরিয়াকে।
যেসব দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে তার মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার বাকি তিন দেশ আফগানিস্তান, নেপাল ও ভুটান রয়েছে। আর জাতিসংঘে জান্তাবিরোধী জাতীয় ঐকমত্যের সরকারের (এনইউজি) প্রতিনিধিত্ব করা মিয়ানমারের ভোট পড়েছে প্রস্তাবের পক্ষে।
কূটনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব থাকলেও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এ ধরনের প্রস্তাব মানতে কোনো দেশ আইনত বাধ্য নয়।
২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলার পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘে তোলা চারটি প্রস্তাবের একটিতে পক্ষে ভোট দিয়েছে বাংলাদেশ; বাকি সবকটিতেই ভোটদানে বিরত থেকেছে।
এই প্রস্তাবে বাংলাদেশের ভোট কোন পক্ষে যাবে জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন গণমাধ্যমকে বলেন, আন্তর্জাতিক ‘হিউম্যানিটারিয়ান’ আইনের ব্যত্যয় না ঘটলে, কোনো রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো নিয়ে কোনো কিছু করা হলে বাংলাদেশ সাধারণত সেখানে অংশ নেয় না।
তিনি আরও বলেন, নির্দিষ্ট দেশকে ভিত্তি করে কোনো প্রস্তাব যখন নেওয়া হলেও বাংলাদেশ বিরত থাকে। এবিষয়ে নিউ ইয়র্কে অবস্থানরত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ‘পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ’ করে অপর দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেবেন।

ইরানে চলমান যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকট সাধারণ মানুষের জীবনে বহুমাত্রিক চাপ তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে দেশটির কর্মসংস্থান আরও সংকুচিত হচ্ছে, মূল্যস্ফীতি বাড়ছে এবং ইন্টারনেট সীমাবদ্ধতা মানুষের আয়ের পথ বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে অনেকের জীবন এখন ‘শূন্য আয়’-এর...
৯ ঘণ্টা আগে
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের ওপর চাপ বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালিতে কোনো নৌযানকে মাইন বসাতে দেখলে সেটিকে সরাসরি ধ্বংস বা গুলি করে ডুবিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি গাঁজা পুনঃ শ্রেণিবিন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কয়েক মাস ধরে ফেডারেল পর্যালোচনার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত তাঁর নিজ দলের কিছু রিপাবলিকান নেতার মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সশস্ত্র বাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় প্রথমে এপামিনোডাস জাহাজটি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এরপর ইউফোরিয়া ও এমএসসি ফ্রান্সেসকা নামে আরও দুটি জাহাজে গুলি চালানো হলে তারা থামতে বাধ্য হয়।
১১ ঘণ্টা আগে