
চট্টগ্রামের রাউজানে বিয়ের ১৯ দিনের মাথায় নিজের ঘর থেকে জাহেদা আফরিন (২৮) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কমলার দিঘি এলাকায় গণির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত জাহেদা আফরিন নোয়াপাড়া ইউনিয়নের মো. ইসমাইলের স্ত্রী। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের সাপলেজা পাড়ার মো. ইউসুফের মেয়ে।
জাহেদার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট মো. ইসমাইলের সঙ্গে জাহেদা আফরিনের বিয়ে হয়। নিহতের শাশুড়ি ৪০ দিন আগে মারা যান। বিয়ের পর বাপের বাড়ি যাওয়া নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। আজ (শুক্রবার) সকালে জাহেদা আফরিনকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ইসমাইলের পরিবারের লোকজন।
মৃত জাহেদার ভাই মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘এটি পরিকল্পিত হত্যা। বিয়ের ১৯ দিনের মধ্যে একবারও আমার বোনকে বাড়িতে নিয়ে যেতে দেয়নি। আমার বোনের জামাই নেশাগ্রস্ত ছিল। বোনকে মেরে ফেলা হয়েছে।’
মৃতের স্বামী ইসমাইল বলেন, ‘গতকাল রাত থেকে কয়েকবার রুম থেকে বের হয়ে যেতে চেয়েছিল সে। সকালে একসঙ্গে নাশতা করেছিলাম। কিন্তু কী হয়ে গেল বুঝতে পারছি না।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘সকাল ৯টার দিকে আমাকে ইসমাইলের মোবাইল থেকে ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর আমি গিয়ে দরজা খোলা অবস্থায় এবং মরদেহ খাটের ওপর পড়ে থাকতে দেখি। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।’
এ বিষয়ে নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘সকাল ৯টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে দরজা খোলা অবস্থায় গৃহবধূর মরদেহ খাটে পড়ে থাকতে দেখি। এরপর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রক্রিয়া চলছে।’

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ঘুষির আঘাতে দেয়ালে ধাক্কা লেগে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়নের নিশ্চিতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
১০ মিনিট আগে
২০২৩ সালের মে মাসে ওই জায়গায় শুরু হয় নতুন ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের কাজ। একই সঙ্গে সেতুর দুই পাশে মাটি রক্ষা এবং পাহাড়ি ঢলের ক্ষতি ঠেকাতে গাইডওয়াল নির্মাণও প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পুরো প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ১ কোটি ৯৬ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬৫ টাকা।
৪৩ মিনিট আগে
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগের ৩১ জন, লালবাগে ৩০ জন, ওয়ারীতে ৪৯ জন, মতিঝিলে ৫৪ জন, তেজগাঁওয়ে ১৩২ জন, মিরপুরে ১১৯ জন, গুলশানে ২৯ জন, উত্তরায় ৫৬ জন, গোয়েন্দা বিভাগের ৬ জন এবং সিটিটিসির ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া যাত্রাবাড়ী, তুরাগ ও বংশাল থানা-পুলিশ ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করে...
১ ঘণ্টা আগে
ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৯২টি এবং ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৪৫০টি মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৪৫৮টি, ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৪০১টি, ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৬৭০টি, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৩৭২টি, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ২৪৬টি এবং ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৬৮টি মামলা করা হয়েছে...
১ ঘণ্টা আগে