গান গাইতে অস্ট্রেলিয়া গেছেন সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগম। ১৮ মে সেখানে যান তিনি। অস্ট্রেলিয়ার কয়েকটি শহরে বাংলাদেশিদের আয়োজনে কনসার্টে অংশ নেন। ২১ মে গেয়েছেন মেলবোর্নে আয়োজিত ঈদ অনুষ্ঠানে। ২৮ মে সিডনিতে আয়োজিত বৈশাখী মেলায়ও পারফর্ম করেছেন মমতাজ।
আজ (৩০ মে) ছিল মমতাজের দেশে ফেরার দিন। দিনটি মমতাজের জন্য বিশেষ হয়ে উঠল আরেকটি কারণে। কারণটি শাবনূর। ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী অনেক বছর ধরেই অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের বাসিন্দা। ফেরার দিনে মমতাজের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল শাবনূরের।
সারাদিন মমতাজ ও শাবনূর একসঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। গাড়িতে করে গায়িকাকে সিডনি শহর ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন শাবনূর। অভিনেত্রী ছিলেন চালকের আসনে আর মমতাজ বসে ছিলেন পাশে। এয়ারপোর্ট পর্যন্ত একসঙ্গে ছিলেন তাঁরা।
ফেসবুকে দুজনের কয়েকটি ছবি পোস্ট করে মমতাজ লিখেছেন, ‘আমার খুব পছন্দের নায়িকা শাবনূর। আমি জানি আমার মতো কোটি কোটি বাঙালির হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে এই মেয়েটি। আজ সারাদিন সময় দিল শুধু আমার জন্য। অবশেষে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত। ভীষণ মিশুক একটা মানুষ। খুব ভালো থেকো তুমি। অনেক মিস করব তোমাকে।’
আর শাবনূর লিখেছেন, ‘জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলো এভাবেই সুন্দর হয়ে থাকুক।’
বিনোদন সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

এবার ঈদ উপলক্ষে তৈরি দুটি গানে পাওয়া গেছে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীদের কোলাবোরেশন। একটি গানে বাংলাদেশের বেলাল খানের সুরে গেয়েছেন নচিকেতা চক্রবর্তী। আরেকটি গানে কলকাতার আকাশ সেনের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের হলিউডের ডলবি থিয়েটারে ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের (অস্কার) জমকালো আসরে সম্মানিত হলেন চলচ্চিত্র জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্ররা। এবারের আসরে সেরা ছবির পুরস্কার জিতেছে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। সেরা অভিনয়ের শীর্ষ সম্মাননা জিতেছেন ‘হ্যামনেট’-এর জেসি বাকলি এবং ‘সিনার্স’-এর মাইকেল বি জর্ডান।
১১ ঘণ্টা আগে
ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার সিনেমার নেপথ্যের মানুষটি পল থমাস অ্যান্ডারসন। গত বছরের পুরোটা সময় জুড়ে যাঁকে নিয়ে উচ্ছ্বাস, উত্তেজনা, উন্মাদনা ছিল চলচ্চিত্র দুনিয়ায়। ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদারের মতো একটি ‘অন্যরকম’ সিনেমা বানিয়ে যিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে যারা সোনালি ট্রফিটি হাতে তুলতে পারেননি, তাঁদেরও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে না। বরং মনোনীত প্রত্যেক তারকার জন্য অপেক্ষা করছে ৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার সমমূল্যের এক অবিশ্বাস্য ‘গিফট ব্যাগ’, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখ টাকার সমান। এভরিওয়ান উইনস (সবাই জয়ী) শিরোনামের..
১২ ঘণ্টা আগে