Alexa
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২

সেকশন

epaper
 

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ 

বিশ্বব্যাপী দেখা দিতে পারে খাদ্যের সংকট, জাতিসংঘের সতর্কতা

আপডেট : ১৯ মে ২০২২, ১০:৩৪

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। ফাইল ছবি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের সংকট দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ বলছে, যদি আমরা এই সমস্যার সমাধান করতে না পারি, তাহলে সামনের মাসগুলোতে খাদ্যের সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। 

আজ বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। 

গতকাল বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির কারণে দরিদ্র দেশগুলো খাদ্যের সংকটে পড়তে পারে। যুদ্ধপূর্ব সময়ের মতো যদি ইউক্রেন তাঁদের পণ্য রপ্তানি পুনরায় শুরু করতে না পারে, তাহলে বিশ্বজুড়ে দুর্ভিক্ষ নেমে আসতে পারে, যা বছরের পর বছর স্থায়ী হতে পারে। এই সংঘাত লাখ লাখ মানুষকে অপুষ্টি, অনাহার ও দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিতে পারে।’

আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, পণ্য রপ্তানি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে রাশিয়া, ইউক্রেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে যথাসম্ভব যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। 

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাতের কারণে ইউক্রেনের বন্দর বন্ধ রয়েছে। দেশটি পণ্য রপ্তানি করতে পারছে না। অথচ দেশটি একসময় প্রচুর পরিমাণে সূর্যমুখী তেল, ভুট্টা ও গমের মতো প্রয়োজনীয় পণ্য বিপুল পরিমাণে রপ্তানি করত। 

জাতিসংঘের বলছে, বিশ্বব্যাপী সরবরাহ কমেছে। ফলে বিকল্প জায়গা থেকে পণ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দাম বাড়ছে। বিশ্বব্যাপী খাদ্যের দাম গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি। 

এদিকে গত সোমবার বিশ্বব্যাপী খাদ্যের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি। নিজ দেশের আইন-প্রণেতাদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি ইউক্রেন শস্য ও ভোজ্যতেল রপ্তানি করতে না পারে, তাহলে যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতির হার এ বছর শেষে দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারে। এটি একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। শুধু যুক্তরাজ্য নয়, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যও এটি বড় উদ্বেগের কারণ। দরিদ্র দেশগুলোর জন্য এটি ধ্বংস ডেকে আনতে পারে। এই মুহূর্তে ইউক্রেনের খাদ্য রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।’

উল্লেখ্য, ইউক্রেনকে বলা হয়ে থাকে ‘রুটির ঝুড়ি’। বিশ্বের মোট চাহিদার ৩০ শতাংশ গম সরবরাহ করে থাকে রাশিয়া ও ইউক্রেন। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রপ্তানি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারের ক্রেতারা বিকল্প দুই দেশ চীন ও ভারতের দিকে ঝুঁকছে। এর মধ্যে ভারতে তীব্র দাবদাহে চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম পরিমাণ গম উৎপন্ন হওয়ায় দেশটি গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ফলে বিশ্বজুড়ে ভবিষ্যৎ খাদ্য সরবরাহ নিয়ে সংশয় আরও বেড়েছে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    ইউক্রেনে আক্রমণের পরিধি বাড়াচ্ছে রাশিয়া

    সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে ১০ বছরে নিহত ৩ লাখ বেসামরিক নাগরিক 

    ইউক্রেনের যুদ্ধ ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে 

    পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাশিয়ার সমরাস্ত্র শিল্প ও ব্যবসায়ীরা

    ২০টি এফ–৩৫ যুদ্ধবিমান কিনতে চায় গ্রিস 

    শার্ট খুললে তাঁদের বিশ্রী দেখাবে, কটাক্ষের জবাবে পুতিন 

    ‘বই নষ্ট হয়ে গেছে, পড়ব কী’

    সহযোদ্ধার শেষ বিদায়ে কাঁদলেন খাদ্যমন্ত্রী

    বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পেলেন সৈয়দপুরের এক কলেজের ১৬ শিক্ষার্থী

    আবেদনের ৮ বছর পর লিখিত পরীক্ষার জন্য ডেকেছে বাপেক্স

    ছয় দফাকে কবর দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন হয় না: গণফোরাম

    ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার, পরিবার বলছে প্রেমের কারণে আত্মহত্যা