ইউক্রেন ইস্যুতে জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মধ্যেই রাশিয়া ও ইউক্রেন সফরে যাচ্ছেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। আজ মঙ্গলবার তিন দিনের সফরে তিনি প্রথমে রাশিয়া যাবেন। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধে মানবিক সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি জাতিসংঘ। এখনো জাতিসংঘের সংস্থাগুলোকে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে প্রবেশে বেগ পেতে হচ্ছে। এদিকে ওই এলাকায় চরম মানবিক সংকট ছড়িয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মানবিক ক্ষেত্রে জাতিসংঘের উদ্যোগকে পুনরুজ্জীবিত করতে গুতেরেস এ সফর করছেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জেনেভা সেন্টার ফর সিকিউরিটি পলিসির গ্লোবাল অ্যান্ড ইমার্জিং রিস্কের প্রধান জিন-মার্ক রিকলি বলেছেন, ‘জাতিসংঘের কর্মসূচিতে নতুন গতি আনার উদ্দেশ্যেই গুতেরেসের এই সফর। বিশেষ করে মারিউপোলে মানবিক প্রবেশাধিকার এবং অন্যান্য সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে জাতিসংঘের আরও ভালোভাবে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা করবেন জাতিসংঘ মহাসচিব।’
গত মাসে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের আক্রমণের মুখে পড়েছিল। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ দ্য রেড ক্রস (আইসিআরসি) তাদের নিষ্ক্রিয়তার জন্য এবং রাশিয়া সফরের জন্য সমালোচিত হয়েছিল। তখন আইসিআরসির প্রেসিডেন্ট পিটার মাউরার সংঘাতপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ সংক্রান্ত আলোচনার জন্য মস্কোতে ছিলেন।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুতেরেস এই সফরে মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
এদিকে রুশ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের মহাপরিচালক আন্দ্রে কর্তুনভ বলেছেন, ‘এই সফর থেকে আমাদের বড় ধরনের অগ্রগতির আশা করা উচিত নয়। কারণ পরিস্থিতি সমঝোতার জন্য মোটেও উপযুক্ত নয়।’

তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতি অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে তা এখনই বলছি না, তবে আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি দুর্বল করে দিতে পারে।’
১২ ঘণ্টা আগে
ইউরোপের দেশ চেক প্রজাতন্ত্রে ইসরায়েলের বৃহত্তম অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘এলবিট সিস্টেমস’-এর একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার ‘আর্থকোয়েক ফ্যাকশন’ নামক একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি....
১২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার প্রভাব এবার সরাসরি বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও সামরিক কৌশলে পড়তে শুরু করেছে। একদিকে ইরান হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, অন্যদিকে নিরাপত্তা শঙ্কার মুখে ইরাক থেকে সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করেছে ন্যাটো।
১২ ঘণ্টা আগে
ইরান জানিয়েছে, তাদের উপকূল ঘেঁষে তৈরি এই নতুন করিডর দিয়ে কেবল তাদের বাছাই করা জাহাজগুলোই যাতায়াত করতে পারবে। ইনজামাম রশিদ বলেন, ‘ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, আইআরজিসির পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ এ পথে প্রবেশ করতে পারবে না।’
১৩ ঘণ্টা আগে