প্রযুক্তি জায়ান্ট স্যামসাং এর প্রধান লি জে ইয়ং কে প্যারোলে মুক্তি দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। জাতীয় ও অর্থনৈতিক স্বার্থে এই মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট পার্ক গুয়েন হাইকে ঘুষ দেওয়া এবং অবৈধভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আড়াই বছরের সাজা হয়েছিল লির। এরই ধারাবাহিকতায় গত জানুয়ারি থেকে তিনি বন্দী ছিলেন। এ সাজার মধ্যে ২০৭ দিনের মাথায় তিনি মুক্তি পেলেন।
লির বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ার দু’টি অলাভজন প্রতিষ্ঠানকে ৩৭৭ লাখ মার্কিন ডলার অর্থ সহায়তা দেওয়ার অভিযোগও ছিল। এই দু’টি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক ছিল দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট পার্ক গুয়েন হাই এর ঘনিষ্ঠ মিত্র চৌ সুন সিল।
মুক্তির পর কারাগারের বাইরে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন লি জে ইয়ং। ইয়ং বলেন, ‘জনগণের জন্য আমি অনেক উদ্বেগের জন্ম দিয়েছি। এ জন্য আমি ক্ষমা চাই। আমি সেসব উদ্বেগের বিষয়ে অবগত আছি। আমার প্রতি সবার সমালোচনা এবং প্রত্যাশাও জানি। ভবিষ্যতে সকল প্রত্যাশা পূরণে আমি কঠোর পরিশ্রম করব।’
লি জে ইয়ং আনুষ্ঠানিকভাবে না হলেও ২০১৪ সাল থেকে স্যামসাংয়ের প্রধান হিসেবে রয়েছেন। তিনি স্যামসাংয়ের প্রতিষ্ঠাতা লি ইয়ং চুপের নাতি।
দক্ষিণ কোরিয়ার অনেকের মতে, লি এ মহামারিতে সেমি-কন্ডাক্টর এবং টিকা নিয়ে দেশের জন্য অবদান রাখবেন। লিকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার আদেশে দেশটির বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক বাজারে করোনা মহামারির প্রভাব দেখে লিকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চীনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা-বাণিজ্যের ‘উন্মুক্ত’ সুযোগের জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংকে বিশেষ অনুরোধ করবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বুধবার বেইজিংয়ে এক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পথে তিনি এ মন্তব্য করেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)। গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ বার্তায় এ কথা জানায় তারা।
১ দিন আগে
গভীর রাত। ঘুমন্ত ও নিস্তব্ধ পুরো এলাকা। এমন সময় উচ্চশব্দে বেজে উঠেছে গাড়ির অ্যালার্ম। পুরো এলাকার মানুষের ঘুমের বারোটা বেজে গেল। এমন ঘটনা ঘটছে পূর্ব লন্ডনে। আর এই অ্যালার্মের উৎস গুগলের গাড়ির।
২ দিন আগে
একসময় পোষা পাখির পায়ে চিঠি বেঁধে খবর পৌঁছে দেওয়া হতো নির্দিষ্ট মানুষের কাছে। মাসের পর মাস দেখা কিংবা কথা হতো না অনেকের সঙ্গে। একসময় এল ল্যান্ডফোন, তারপর এসেছে স্মার্টফোন। তখন আমরা অনেকের মোবাইল ফোন নম্বর মুখস্থ রাখতে পারতাম।
২ দিন আগে