বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে আগামী ৩০ জুন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছেন। পদ্মা সেতু চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে গত সোমবার দীর্ঘ বৈঠকের ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতেই এ তথ্য জানান মন্ত্রী পরিষদ সচিব। মন্ত্রী ও প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা এত দিন বলে আসছিলেন আগামী জুনে পদ্মা সেতু খুলে দেওয়া হবে। তবে এই প্রথম নির্দিষ্ট তারিখ জানালেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
আনোয়ারুল ইসলাম জানান, পদ্মা সেতু চালুর বিষয়ে গত সোমবার একটি দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘করোনা মহামারির কারণে এক দিনও পদ্মা সেতু ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণকাজ বন্ধ ছিল না। একটি সুরক্ষাব্যবস্থা বা বায়োবাবল তৈরি করা হয়েছিল। তাঁর মধ্যে কাজ চলেছে। বর্তমানে পদ্মা সেতুতে চলছে পিচ ঢালাই আর বাতির খুঁটি বসানোর কাজ। উদ্বোধনের জন্য রং আর আলোকসজ্জার কাজও এগিয়ে চলছে। এ কাজ দ্রুত শেষ করা হবে।’
স্বপ্নের পদ্মা সেতু সম্পর্কে সবশেষ খবর পেতে - এখানে ক্লিক করুন
পদ্মা সেতুর মূল অংশ অর্থাৎ নদীর অংশের দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। তবে দুই পারে আরও প্রায় চার কিলোমিটার আছে ভায়াডাক্ট। সব মিলিয়ে সেতুটি প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
দ্বিতলবিশিষ্ট সেতুর স্টিলের স্প্যানের ওপর দিয়ে চলবে যানবাহন। এই পথটি ২২ মিটার চওড়া, চার লেনের। মাঝখানে আছে বিভাজক। স্প্যানের ভেতর দিয়ে চলবে ট্রেন। সেতুতে একটি রেললাইনই বসানো হবে।
পদ্মা সেতু সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব কেনার নামে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ ‘লুটপাট’ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
৭ মিনিট আগে
তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে সেনাবাহিনী প্রধান এই সফরে গেছেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। আজ সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর প্রথম মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-৬) চালু হওয়ার পর এর যাত্রীসংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। তবে এক জরিপে দেখা গেছে, এই ট্রেনের যাত্রীদের বেশির ভাগই এসেছেন সিটি বাস থেকে। ব্যক্তিগত গাড়ি রেখে ট্রেনে চড়ার মানুষের সংখ্যা এখনো নগণ্য।
১০ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থানা ও ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে ১ হাজার ৩১৮টি প্রায় দুই বছরেও উদ্ধার হয়নি। এসব অস্ত্রের মধ্যে ১১২টি চায়না রাইফেলও রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে