সারা বিশ্বে আবার ফণা তুলেছে করোনাভাইরাস। নিত্য নতুন রূপে বারংবার ফিরে আসছে এই ভাইরাস। এবার হয়েছে ওমিক্রন। তাতেই পশ্চিম থেকে পুবে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে পূর্ণ গতিতে। এরই মধ্যে গোদের ওপর বিষফোড়ার মতো নতুন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আর এই সমস্যার মূলে আছি আমরা। বাংলাদেশেও করোনায় সংক্রমণ পরিস্থিতি আগের চেয়ে খারাপ। মৃত্যু ও আক্রান্ত—দুই-ই বাড়ছে। কিন্তু যে রোগ বহুকাল ধরে একই স্ট্রেইনে আছে, সেটি নিয়েই এবার বিশ্বমঞ্চে কাঁপুনি জাগিয়েছে আমাদের দেশের মানুষ। আগে যা শুধু এ দেশের মাটিকে ভেজাত, তা এখন বিশ্বের মাথাব্যথার কারণ। এই গ্যালাক্সির তাবৎ বিশেষজ্ঞরা এখন ‘ছ্যাপাক্রান্ত’দের নিয়ে ব্যাপক টেনশনে।
আর এই ছ্যাপাক্রান্তদের পাওয়া গেছে বঙ্গ দেশের মাটিতে। না, না, কোনো আরটিপিসিআর করতে হয়নি। সার্চলাইট দিয়ে খুঁজতেও হয়নি। এমনিতেই পাওয়া গেছে। শুধু চক্ষু খুলিয়া ঘর হইতে দুই পা ফেলিলেই ছ্যাপাক্রান্তদের দেখা যাচ্ছে। তাদের রোগের চিহ্নও পাওয়া যাচ্ছে যেখানে-সেখানে।
এ ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দলের নাম না জানা এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ছ্যাপাক্রান্তদের এত বিপুল সংখ্যা দেখে তাঁরা আতঙ্কিত। গবেষণায় তাঁরা জানতে পেরেছেন, এ দেশের আমজনতা মুখ নিঃসৃত লালা বা থুতুকে সোজা বাংলায় ‘ছ্যাপ’ বলেন। এবং এই ছ্যাপকে যেকোনো চিপায় বা প্রকাশ্য স্থানে ছুড়ে ফেলতে দক্ষ স্থানীয় অনেক কর্মবীর। সেই বীরেরাই ‘ছ্যাপাক্রান্ত’ বলে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞেরা। ছ্যাপ ও আক্রান্ত এই দুই শব্দের সন্ধি করা হয়েছে এ প্রক্রিয়ায়। ইংরেজি বানানেও এ শব্দটিই রাখার ইচ্ছে আছে বিশেষজ্ঞ দলের। কারণ, এতে নাকি ছ্যাপাক্রান্তদের ‘জোশ’ ও নিস্পৃহ ভঙ্গিমা উত্তমরূপে প্রতিফলিত হয়!
বিশেষজ্ঞ দলের ওই মুখপাত্র বলেছেন, করোনার বাড়বাড়ন্তের মধ্যে এ ধরনের ‘স্বভাব’ খুবই ভয়ংকর। এতে করে করোনার সংক্রমণ আরও বেড়ে যেতে পারে। যেখানে-সেখানে ছ্যাপ ফেলার এই বিষয়টি অনেক বঙ্গসন্তান খুব স্বাভাবিকভাবেই দেখে থাকেন। তাঁরা মাস্ক খুলে থুতু ফেলেই আবার মাস্ক পরে নেন এবং বিষয়টি এত দ্রুততার সঙ্গে করেন যে, আলোর গতিবেগ মাঝে মাঝে হার মানতে বাধ্য। কেউ কেউ তো মাস্ক পরেনই না। কেউ আবার মাস্ককে থুতনিতে বাড়ি বানানোর জন্য জমি কিনে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে এক নানামুখী কারবার।
বিশেষজ্ঞ দলের সঙ্গে ছ্যাপাক্রান্ত কয়েকজনের একান্ত আলাপচারিতায় এক নিদারুণ আশঙ্কা স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে হাজারো উপায়ে সচেতন করার চেষ্টা চললেও বাংলার ঢের মানুষ এ বিষয়ে পুরোপুরি নির্বিকার। তাঁদের কারও কারও সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, যেখানে-সেখানে রকেট উৎক্ষেপণের মতো শব্দ উদ্গিরণ করে ছ্যাপ না ফেললে তাঁদের মনের শান্তি নষ্ট হয়!
এ থেকে বিশেষজ্ঞ দলের ধারণা হয়েছে, দেশের অনেক মানুষের মনোদৈহিক কোনো সমস্যা হয়েছে। এটি ‘ছ্যাপ’ নামের নতুন কোনো ভাইরাসের কারণে হয়েছে কিনা, তা এখন বিস্তৃত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত পরিচিত কোনো ভাইরাসের প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে ছ্যাপাক্রান্তদের আচরণের মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। যদিও অনুসন্ধান অব্যাহত আছে। ওই নাম না জানা মুখপাত্র হতাশ কণ্ঠে বলেছেন, ‘এক করোনায় রক্ষা নেই, ছ্যাপ হয়েছে দোসর। আমরা তো পাগল হয়ে যাব!’
এদিকে সংশ্লিষ্ট খাতের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপাতত ছ্যাপাক্রান্তদের বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে উচ্চমহলে জোর আলোচনা চলছে। সেই সঙ্গে জোর অনুসন্ধান চলছে ছ্যাপাক্রান্তদের লক্ষণ ও নিরাময় নিয়ে। বলা হচ্ছে, আক্রান্ত হওয়ার পর ছ্যাপাক্রান্তদের দৈহিক পরিবর্তন খুব একটা হয় না। তাঁদের দেখে বোঝার উপায় নেই যে, কখন থুতু উদ্গিরণ করতে থাকবেন। তবে হ্যাঁ, কিছু ‘ভালো’ মানুষ রকেট ইগনিশনের মতো আওয়াজ দিয়ে থাকেন বটে। তবে ঠোঁট যদি ভেজা থাকে এবং চিপা জায়গার সন্ধানে ইতিউতি তাকানো কাউকে রাস্তায় অনুসন্ধানী রূপে দেখা যায়, সে ক্ষেত্রে সাবধান হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিরাময়ের উপায় অবশ্য এখনো সুনির্দিষ্ট করা যায়নি। সচেতন করে যেহেতু কোনো ফল মিলছে না, সে ক্ষেত্রে উপযুক্ত টিকা পেলে তা ছ্যাপাক্রান্তদের মাথায় ইনজেকশন দিয়ে পুশ করার কথা ভাবা হচ্ছে। এর বাইরে আপাতত আক্রান্তদের গলায় দড়ি দিয়ে বেঁধে বেসিন ঝুলিয়ে দেওয়ার কথা ভাবনায় আছে। তবে এত বেসিন কোথা থেকে আসবে এবং গলায় ঝোলানো সেই বেসিনের পাইপ কোথায় যুক্ত করা হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছে বিশেষজ্ঞ দল।
যদিও ছ্যাপাক্রান্তদের মধ্যে এতসব উদ্বেগ নিয়ে কোনো চিন্তাই নেই। সাম্প্রতিক জরিপে ছ্যাপাক্রান্তদের জলকণা উদ্গিরণে উৎসাহের কোনো অভাব লক্ষ্য করা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ছ্যাপাক্রান্তরা আক্রান্ত হওয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় পর চোখ থাকতেও অন্ধ ও কার্যকর কান থাকতেও বধির হয়ে যান!

সিসিটিভি ক্যামেরার চোখ ফাঁকি দিয়ে রাস্তার ধারে ময়লা ফেলতে পোষা কুকুরকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক মালিকের বিরুদ্ধে। ইতালির সিসিলি দ্বীপের কাতানিয়া শহরের সান জর্জিও জেলায় এই অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছে। এ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনে চলছে তোলপাড়, আলোচনায় মজেছে নেটিজেনরা।
২ দিন আগে
একসময় সাম্রাজ্যের লোকজন গর্ব করে বলত, তাদের সাম্রাজ্যে সূর্য কখনো অস্ত যায় না। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের ছোট শহর শেহোরের এক ভুলে যাওয়া কাগজ যেন অন্য গল্প বলে। সেখানে ইঙ্গিত আছে, সেই শক্তিশালী সাম্রাজ্যকেও একসময় ভোরের আলো দেখতে এক স্থানীয় ধনী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ঋণ নিতে হয়েছিল।
৩ দিন আগে
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃত ইলন মাস্ক প্রায় ৭০০ বিলিয়ন ডলারের মালিক। ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে তিনি সবার আগেই ট্রিলিয়ন ডলারের (১০০০ বিলিয়ন) মালিক হবেন। কিন্তু তাঁর আগেই কি না ৬৩ ‘কোয়াড্রিলিয়ন’ পাউন্ডের (৮০ কোয়াড্রিলিয়ন ডলারের বেশি) মালিক হয়ে গেলেন অখ্যাত এক নারী!
৭ দিন আগে
উত্তর মেসিডোনিয়ার প্রেপা হ্রদের মাঝখানে অবস্থিত এক নির্জন দ্বীপ গোলেম গ্রাদ। একসময় এই দ্বীপ কচ্ছপদের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত থাকলেও বর্তমানে সেখানে চলছে এক অদ্ভুত ও করুণ সংকট। গবেষকেরা জানিয়েছেন, দ্বীপের পুরুষ কচ্ছপদের মাত্রাতিরিক্ত যৌন আগ্রাসনের কারণে সেখানকার স্ত্রী কচ্ছপেরা বিলুপ্তির পথে।
৮ দিন আগে