বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৭০টি পর্নো ভিডিও উদ্ধার করে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার মুম্বাই পুলিশের পক্ষ এই অভিযান চালানো হয়। তাঁকে গ্রেপ্তারের পর থেকে একের পর এক মডেল অভিনেত্রী মুখ খুলেছেন তাঁর বিরুদ্ধে। এবার আরো ফাঁসলেন রাজ কুন্দ্রা। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধা হল ৭০টি পর্নো ভিডিও।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন প্রোডাকশন হাউসের সাহায্য নিয়ে এই ভিডিও তৈরি করেছিলেন রাজের প্রাক্তন ব্যক্তিগত সহকারী উমেশ কামাত। হটশট অ্যাপের মাধ্যমে এই সব পর্নো ভিডিওগুলো দেখতে পেত মানুষ। প্লে স্টোর থেকেই প্রথমে অ্যাপটি পাওয়া গেলেও পরে রাজ তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী উমেশ কামাতকে বলেন প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি সরিয়ে নিতে। ২০২০ সালের শেষের দিকে গুগল প্লে স্টোর ও অ্যপলের অ্যাপ স্টোর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল হটশট অ্যাপটিকে।
ইতিমধ্যেই এই দুজনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে এ তথ্য পেয়েছে পুলিশ। পর্নো ভিডিও থেকে রাজের রোজগারের পরিমাণও জানতে পেরেছে এরই মধ্যে মুম্বাই পুলিশ জানত পেরেছে। ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে এটাই একটা বড় প্রমাণ হিসেবে ধরছে তদন্তকারীরা।
আগামী শুক্রবার পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতেই থাকছেন রাজ কুন্দ্রা। দফায় দফায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অপরদিকে রাজের আইনজীবীর দাবি করেন, যেই ভিডিওগুলো পুলিশের কাছ রয়েছে সেগুলো পর্নো কি-না তার প্রমাণ এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তিনি আরও দাবি করেন, এখনকার ওয়েব সিরিজ গুলিতে কতটা অশ্লীল দৃশ্য দেখানো হয়। কিন্তু সেগুলো তো পর্নো বলে দাবি করা হয় না।
রাজের ঘনিষ্ঠ জনেদের মধ্যে তাঁর স্ত্রী শিল্পা শেঠিও রয়েছেন পুলিশি নজরে। প্রাথমিক ভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে রাজের এই ব্যবসায় শিল্পাও তাঁকে মদদ জোগাতেন।

একটি জুয়ার ওয়েবসাইট বন্ধ হয়, কিছুদিন পর একই ধরনের আরেকটি সাইট হাজির। একটি অ্যাপ সরিয়ে দেওয়া হলে নতুন নামে আবার চালু হয় কার্যক্রম। এভাবে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৫টি জুয়ার সাইট খোলা হয়। প্রযুক্তির এই ফাঁক গলে দেশে ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে অনলাইন জুয়া।
৩ দিন আগে
রাজধানীর মিরপুর-১৩ এলাকার শেরে বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটের সামনে গতকাল শুক্রবার দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে যুবদলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক পথচারীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাজারবাগ বাজারে পানির পাম্পসংলগ্ন একটি মুদি দোকানের সামনে বিএনপি কর্মী মো. পলাশকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে....
২৪ দিন আগে
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী, পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীতার অভিযোগে ১ হাজার ৯৫৮ জন, অবৈধ অস্ত্রধারী ৩৩১ জন, চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ী ১৩ হাজার ২০ জন, ছিনতাইকারী ও দস্যুতা মামলার আসামি ২ হাজার ২১১ জন এবং চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী ৮০৮ জন রয়েছেন...
১০ জুন ২০২৬
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২৬ মে ২০২৬