ফিচার ডেস্ক

আবাসনব্যবসা ছেড়ে জীবনকে নতুনভাবে দেখতে ৫৪ বছর বয়সে আইন বিষয়ে পড়াশোনার জন্য স্কুলে ভর্তি হন এলিজাবেথ বারবুর। উদ্দেশ্য ছিল পারিবারিক সহিংসতায় পড়া নারীদের পাশে দাঁড়ানো। আইন বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শেষে ৬০ বছর বয়সে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় লিগ্যাল এইড সোসাইটিতে যোগ দেন। সেখানে পারিবারিক সহিংসতাবিষয়ক মামলা পরিচালনা শুরু করেন। বর্তমানে ৬৮ বছর বয়সী এলিজাবেথ বারবুর ৫০টি পারিবারিক সহিংসতার মামলা নিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘এই নারীরা অনেক কিছু সহ্য করে যখন আমার কাছে আসেন, তাঁরাও জীবনকে নতুন করে দেখতে চান। ঠিক আমার মতো।’
আইন পেশায় আসা একটু অস্বাভাবিক ছিল এলিজাবেথের জন্য। তিনি বলেন, ‘আইন স্কুলে শুরুর সময়টা বেশ কঠিন ছিল। আমি ছিলাম সবার মায়ের বয়সী। আমার কোনো বন্ধু ছিল না। কিন্তু সেটাও একসময় ঠিক হয়ে যায় এবং তিন বছর পড়াশোনার মধ্যে ডুবে থাকার পর আমার মানসিক ক্ষমতা অনেক বাড়ে।’
এলিজাবেথ বারবুর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে, বিশেষ করে পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীদের আইনি সহায়তা দিচ্ছেন। ৬০ বছর বয়সে আইন পেশায় আসা তাঁর জন্য যেমন চ্যালেঞ্জ ছিল, তেমনি তিনি তাঁর লক্ষ্য অর্জনেও ছিলেন অনড়।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

আবাসনব্যবসা ছেড়ে জীবনকে নতুনভাবে দেখতে ৫৪ বছর বয়সে আইন বিষয়ে পড়াশোনার জন্য স্কুলে ভর্তি হন এলিজাবেথ বারবুর। উদ্দেশ্য ছিল পারিবারিক সহিংসতায় পড়া নারীদের পাশে দাঁড়ানো। আইন বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শেষে ৬০ বছর বয়সে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় লিগ্যাল এইড সোসাইটিতে যোগ দেন। সেখানে পারিবারিক সহিংসতাবিষয়ক মামলা পরিচালনা শুরু করেন। বর্তমানে ৬৮ বছর বয়সী এলিজাবেথ বারবুর ৫০টি পারিবারিক সহিংসতার মামলা নিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘এই নারীরা অনেক কিছু সহ্য করে যখন আমার কাছে আসেন, তাঁরাও জীবনকে নতুন করে দেখতে চান। ঠিক আমার মতো।’
আইন পেশায় আসা একটু অস্বাভাবিক ছিল এলিজাবেথের জন্য। তিনি বলেন, ‘আইন স্কুলে শুরুর সময়টা বেশ কঠিন ছিল। আমি ছিলাম সবার মায়ের বয়সী। আমার কোনো বন্ধু ছিল না। কিন্তু সেটাও একসময় ঠিক হয়ে যায় এবং তিন বছর পড়াশোনার মধ্যে ডুবে থাকার পর আমার মানসিক ক্ষমতা অনেক বাড়ে।’
এলিজাবেথ বারবুর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে, বিশেষ করে পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীদের আইনি সহায়তা দিচ্ছেন। ৬০ বছর বয়সে আইন পেশায় আসা তাঁর জন্য যেমন চ্যালেঞ্জ ছিল, তেমনি তিনি তাঁর লক্ষ্য অর্জনেও ছিলেন অনড়।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘মন জানালা’। ৪০ পেরোনো নারীর মন, শরীর আর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র ‘থেমে যাওয়া নয়, সময় এখন এগিয়ে যাবার’ শিরোনামে বিশেষ সেশনের আয়োজন করে। ১৬ জানুয়ারি রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
৩ দিন আগে
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
৫ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৭ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
৭ দিন আগে