ভিয়েতনামের ভিনফিউচার স্পেশাল প্রাইজ পেয়েছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী। কলেরা, টাইফয়েড ও হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের (এইচপিভি) সুলভ মূল্যের টিকা উদ্ভাবনে অবদান রাখায় তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। তাঁর এ আবিষ্কার মানুষের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ফলে উন্নয়নশীল দেশের উদ্ভাবক ক্যাটাগরিতে তিনি এ পুরস্কার পেয়েছেন।
এ বছর বিশ্বের ৮০টির বেশি দেশ ও ভূখণ্ডের প্রায় দেড় হাজার ব্যক্তিকে এই ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। পুরস্কারের বিষয়বস্তু ছিল ‘রিজিলিয়েন্ট রিবাউন্ড’।
কলেরা, টাইফয়েড ও এইচপিভির সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য সুলভ মূল্যে টিকা উদ্ভাবন করতে চেয়েছিলেন ড. ফেরদৌসী কাদরী। এ জন্য তিনি চার দশক ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যান।
১৯৭৫ সালে ফেরদৌসী কাদরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও আণবিক জীববিদ্যা বিভাগ থেকে বিএসসি এবং ১৯৭৭ সালে এমএস পাস করেন। চিকিৎসা গবেষণার কাজে পারদর্শী হওয়ার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে জৈব রসায়ন নিয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করতে যান। ১৯৮০ সালে যুক্তরাজ্যের লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন/প্রতিষেধক বিদ্যা বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
আইসিডিডিআরবির প্রতিষেধক বিদ্যা বিভাগ থেকে পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা শেষ করার পর ফেরদৌসী সেখানেই সহযোগী বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেন ১৯৮৮ সালে। সেখানেই জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী, মিউকোসাল ইমিউনলজি ও ভ্যাকসিনোলজি বিভাগের প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান।

৩ এপ্রিল ‘জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস’ দিনটি সামনে রেখে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের বিবর্তন, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে বাংলা চলচ্চিত্রের অবস্থান, চলচ্চিত্রে নারী চরিত্রের চিরাচরিত ছাঁচ ভাঙার চ্যালেঞ্জ এবং নিজের কাজ নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। অনলাইনে সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন শিহাব আহমেদ।
৬ দিন আগে
বাবার কাঁধে দুই সন্তানের লাশ। একজনের বয়স ৩০, অন্যজনের ২৮। এটি সম্ভবত পৃথিবীর করুণতম দৃশ্যগুলোর একটি। দুই সন্তানের লাশ কাঁধে নিয়ে সেই পিতা বলেছেন, ‘চোখ সিক্ত এবং হৃদয় দগ্ধ। কিন্তু আমাদের মিশন চলবে। আমরা পরাজিত হব না আর ভেঙেও পড়ব না।’
৬ দিন আগে
দিনাজপুর সদরের ছোট গুড়গোলা গ্রামের মেহেনাজ পারভীনের জীবনের প্রতিটি পরতে মিশে আছে বইয়ের ঘ্রাণ। তিনি সবুজ সাথী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং খোলাহাটী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ থেকে ২০০১ সালে এইচএসসি পাস করেন। মেহেনাজ পারভীন ছাত্রজীবন থেকে ছিলেন বইপ্রেমী।
৬ দিন আগে
ঢাকা শহরে বেড়ে ওঠা এক দুরন্ত মেয়ের নাম হামিদ আক্তার জেবা। ছোটবেলা থেকে খেলাধুলা ছিল তাঁর নেশা। সেই নেশা একসময় তাঁকে নিয়ে যায় ম্যারাথনের কঠিন পথে। বাবা-মা, ভাই ও ভাবির সঙ্গে তিনি ঢাকায় বসবাস করেন। খেলাধুলাপ্রিয় বাবার অনুপ্রেরণায় জেবার এই পথচলা।
১৩ দিন আগে