কাশফিয়া আলম ঝিলিক

আগামীকাল নতুন একটি বছর শুরু করতে যাচ্ছে পৃথিবী। ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে সবারই প্রত্যাশা থাকছে ইতিবাচক কিছুর। তবে পেছনে ফিরে তাকালে গত বছরটি নারী অধিকার এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে রেখে গেছে এক মিশ্র অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা গেছে পরিকল্পনা, প্রাপ্তি আর দীর্ঘশ্বাসের ছবি। ২০২৫ সালের শুরু থেকে বিশ্বজুড়ে নারীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগজনক সব ঘটনা ঘটেছে। গত মার্চের শুরুতে মাগুরা সদর উপজেলায় ৮ বছরের এক শিশু ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশ। হয়রানির এই ছায়া বিশ্বজুড়ে এতটাই বিস্তৃত যে মেক্সিকোর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউমও যৌন হয়রানি থেকে রেহাই পাননি। বছরজুড়ে যেমন কিছু নারী তাঁদের সাফল্যের আলোয় সমাজকে এগিয়ে নিয়েছেন, তেমনি যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা কোটি কোটি নারীকে ঠেলে দিয়েছে চরম মানবিক বিপর্যয়ের দিকে।
বাংলাদেশ: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ব্যবধান ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন এ দেশের নারী ও শিশুরা। আশা ছিল রাষ্ট্র সংস্কারের সঙ্গে সঙ্গে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সরকার আরও কঠোর ও দায়িত্বশীল হবে। কিন্তু ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তের পরিসংখ্যান সেই স্বপ্নকে অধরা মনে হচ্ছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্যমতে, বছরের প্রথম সাড়ে সাত মাসে রাজধানীতে ২১৬টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এগুলোর মধ্যে ১৭টি ছিল দলবদ্ধ ধর্ষণ। উত্তরা, কদমতলী ও তুরাগ এলাকায় মামলার সংখ্যা ছিল উদ্বেগজনক। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের বার্ষিক প্রতিবেদন বলছে, বছরের ১১ মাসেই সারা দেশে ২ হাজার ৫৪৯ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এ ছাড়া ভয়াবহ তথ্য হলো, এই পরিসংখ্যান ২০২৪ সালের মোট নির্যাতনের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। আইন থাকা সত্ত্বেও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এবং গণপরিবহনে হয়রানি তেমনভাবে কমছে না, যা নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার সক্ষমতাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
লিঙ্গভেদে বর্ণবাদের শিকার
২০২৫ সালেও আফগানিস্তানের নারীদের অবস্থা ছিল বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে শোচনীয়। তালেবান শাসকেরা নারীদের উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং জনসমক্ষে কণ্ঠস্বর কিংবা মুখ দেখানো নিষিদ্ধ করে একের পর এক ডিক্রি জারি করেছে। নারীরা ঘরের বাইরে যাওয়ার অধিকার হারিয়েছেন, বেড়েছে বাল্যবিবাহ ও মানসিক বিষণ্নতা। জাতিসংঘের বিশেষ দূত রিচার্ড বেনেট জানান, আফগানিস্তানে নারীদের ওপর এখন কাঠামোগত ও মনস্তাত্ত্বিক সহিংসতা চলছে। সেখানে সহিংসতাবিষয়ক রিপোর্ট করার নিরাপদ পথও এখন আর নেই। এদিকে ইরানেও হিজাব আইন অমান্য করার দায়ে নারীদের ওপর কঠোর নজরদারি ও কারাদণ্ড অব্যাহত রয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে নিন্দিত হচ্ছে।
যুদ্ধ ও যুদ্ধ-পরবর্তী যৌন সহিংসতা
সুদান ও কঙ্গোয় ২০২৫ সালে সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে, যেখানে যৌন সহিংসতাকে ব্যবহার করা হচ্ছে ‘যুদ্ধের কৌশল’ হিসেবে। সুদানের সেনাবাহিনী (এসএএফ) ও আধা সামরিক বাহিনীর (আরএসএফ) লড়াইয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন কোটি মানুষ, যাদের অর্ধেকই নারী। জাতিসংঘের তথ্যমতে, সুদানে ৫৮ লাখ নারী ও কিশোরী বাস্তুচ্যুত। স্বাস্থ্যসেবা ধ্বংস হওয়ায় তাঁরা প্রসবকালীন বা ধর্ষণ-পরবর্তী চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত। অন্যদিকে, কঙ্গোর খনিজ সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিতে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো নারীদের অপহরণ করে ‘যৌন দাসী’ হিসেবে তাদের ব্যবহার করছে। প্রতিদিন সেখানে শত শত নারী সহিংসতার শিকার হলেও সিংহভাগ লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে যাচ্ছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে কয়েক হাজার নারী ও শিশু প্রাণ হারিয়েছে। গাজায় হাসপাতাল ধ্বংস হওয়ার কারণে অবরুদ্ধ অবস্থায় অ্যানেসথেসিয়া ছাড়াই মায়েদের সিজারিয়ান অপারেশন করতে হয়েছে। স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং বিশুদ্ধ পানির অভাবে হাজার হাজার নারী প্রজনন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দিন
কাটাতে বাধ্য হচ্ছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন এবং লাতিন আমেরিকায় হাহাকার
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে লাখ লাখ নারী শরণার্থী জীবন যাপন করছে, যেখানে তারা মানব পাচারের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, লাতিন আমেরিকায় ‘ফেমিসাইড’ বা নারী হত্যার হার ২০২৫ সালে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে আর্জেন্টিনাসহ বিভিন্ন দেশের নারীরা আজ ঘরের ভেতরে ও বাইরে কোথাও নিরাপদ বোধ করছে না।
২০২৫ সালটি নারীদের জন্য ছিল রক্ত, অশ্রু আর নিরন্তর সংগ্রামের। তবু সব আঘাত আর ক্ষত পাশে রেখে নতুন বছরের ভোরের আলোয় নতুন এক পৃথিবীর স্বপ্ন দেখছে বিশ্বের কোটি কোটি নারী। যেখানে নারীত্ব শুধু হাহাকারের নাম হবে না; বরং হবে মর্যাদা ও নিরাপত্তার এক নতুন উপাখ্যান।

আগামীকাল নতুন একটি বছর শুরু করতে যাচ্ছে পৃথিবী। ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে সবারই প্রত্যাশা থাকছে ইতিবাচক কিছুর। তবে পেছনে ফিরে তাকালে গত বছরটি নারী অধিকার এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে রেখে গেছে এক মিশ্র অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা গেছে পরিকল্পনা, প্রাপ্তি আর দীর্ঘশ্বাসের ছবি। ২০২৫ সালের শুরু থেকে বিশ্বজুড়ে নারীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগজনক সব ঘটনা ঘটেছে। গত মার্চের শুরুতে মাগুরা সদর উপজেলায় ৮ বছরের এক শিশু ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশ। হয়রানির এই ছায়া বিশ্বজুড়ে এতটাই বিস্তৃত যে মেক্সিকোর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউমও যৌন হয়রানি থেকে রেহাই পাননি। বছরজুড়ে যেমন কিছু নারী তাঁদের সাফল্যের আলোয় সমাজকে এগিয়ে নিয়েছেন, তেমনি যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা কোটি কোটি নারীকে ঠেলে দিয়েছে চরম মানবিক বিপর্যয়ের দিকে।
বাংলাদেশ: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ব্যবধান ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন এ দেশের নারী ও শিশুরা। আশা ছিল রাষ্ট্র সংস্কারের সঙ্গে সঙ্গে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সরকার আরও কঠোর ও দায়িত্বশীল হবে। কিন্তু ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তের পরিসংখ্যান সেই স্বপ্নকে অধরা মনে হচ্ছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্যমতে, বছরের প্রথম সাড়ে সাত মাসে রাজধানীতে ২১৬টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এগুলোর মধ্যে ১৭টি ছিল দলবদ্ধ ধর্ষণ। উত্তরা, কদমতলী ও তুরাগ এলাকায় মামলার সংখ্যা ছিল উদ্বেগজনক। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের বার্ষিক প্রতিবেদন বলছে, বছরের ১১ মাসেই সারা দেশে ২ হাজার ৫৪৯ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এ ছাড়া ভয়াবহ তথ্য হলো, এই পরিসংখ্যান ২০২৪ সালের মোট নির্যাতনের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। আইন থাকা সত্ত্বেও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এবং গণপরিবহনে হয়রানি তেমনভাবে কমছে না, যা নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার সক্ষমতাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
লিঙ্গভেদে বর্ণবাদের শিকার
২০২৫ সালেও আফগানিস্তানের নারীদের অবস্থা ছিল বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে শোচনীয়। তালেবান শাসকেরা নারীদের উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং জনসমক্ষে কণ্ঠস্বর কিংবা মুখ দেখানো নিষিদ্ধ করে একের পর এক ডিক্রি জারি করেছে। নারীরা ঘরের বাইরে যাওয়ার অধিকার হারিয়েছেন, বেড়েছে বাল্যবিবাহ ও মানসিক বিষণ্নতা। জাতিসংঘের বিশেষ দূত রিচার্ড বেনেট জানান, আফগানিস্তানে নারীদের ওপর এখন কাঠামোগত ও মনস্তাত্ত্বিক সহিংসতা চলছে। সেখানে সহিংসতাবিষয়ক রিপোর্ট করার নিরাপদ পথও এখন আর নেই। এদিকে ইরানেও হিজাব আইন অমান্য করার দায়ে নারীদের ওপর কঠোর নজরদারি ও কারাদণ্ড অব্যাহত রয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে নিন্দিত হচ্ছে।
যুদ্ধ ও যুদ্ধ-পরবর্তী যৌন সহিংসতা
সুদান ও কঙ্গোয় ২০২৫ সালে সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে, যেখানে যৌন সহিংসতাকে ব্যবহার করা হচ্ছে ‘যুদ্ধের কৌশল’ হিসেবে। সুদানের সেনাবাহিনী (এসএএফ) ও আধা সামরিক বাহিনীর (আরএসএফ) লড়াইয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন কোটি মানুষ, যাদের অর্ধেকই নারী। জাতিসংঘের তথ্যমতে, সুদানে ৫৮ লাখ নারী ও কিশোরী বাস্তুচ্যুত। স্বাস্থ্যসেবা ধ্বংস হওয়ায় তাঁরা প্রসবকালীন বা ধর্ষণ-পরবর্তী চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত। অন্যদিকে, কঙ্গোর খনিজ সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিতে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো নারীদের অপহরণ করে ‘যৌন দাসী’ হিসেবে তাদের ব্যবহার করছে। প্রতিদিন সেখানে শত শত নারী সহিংসতার শিকার হলেও সিংহভাগ লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে যাচ্ছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে কয়েক হাজার নারী ও শিশু প্রাণ হারিয়েছে। গাজায় হাসপাতাল ধ্বংস হওয়ার কারণে অবরুদ্ধ অবস্থায় অ্যানেসথেসিয়া ছাড়াই মায়েদের সিজারিয়ান অপারেশন করতে হয়েছে। স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং বিশুদ্ধ পানির অভাবে হাজার হাজার নারী প্রজনন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দিন
কাটাতে বাধ্য হচ্ছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন এবং লাতিন আমেরিকায় হাহাকার
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে লাখ লাখ নারী শরণার্থী জীবন যাপন করছে, যেখানে তারা মানব পাচারের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, লাতিন আমেরিকায় ‘ফেমিসাইড’ বা নারী হত্যার হার ২০২৫ সালে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে আর্জেন্টিনাসহ বিভিন্ন দেশের নারীরা আজ ঘরের ভেতরে ও বাইরে কোথাও নিরাপদ বোধ করছে না।
২০২৫ সালটি নারীদের জন্য ছিল রক্ত, অশ্রু আর নিরন্তর সংগ্রামের। তবু সব আঘাত আর ক্ষত পাশে রেখে নতুন বছরের ভোরের আলোয় নতুন এক পৃথিবীর স্বপ্ন দেখছে বিশ্বের কোটি কোটি নারী। যেখানে নারীত্ব শুধু হাহাকারের নাম হবে না; বরং হবে মর্যাদা ও নিরাপত্তার এক নতুন উপাখ্যান।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
১০ ঘণ্টা আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
২ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন, যেটি মুসলিম পারিবারিক আইনসংক্রান্ত বহুবিবাহের প্রক্রিয়া। এই রায়ে হাইকোর্ট মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী একজন ব্যক্তির বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে ‘সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি’ নিতে হবে, এমন বিধান
২ দিন আগে