বাংলাদেশে নারী রেসার! অবাক হওয়ার কিছু নেই। দেশের প্রথম নারী রেসার হিসেবে নাম লিখিয়েছেন কাশফিয়া আরফা। শুধু তা-ই নয়, তিনি এশিয়ান অটো জিমখানা চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪-এর দ্বিতীয় রাউন্ডে দারুণ সাফল্য অর্জন করেছেন। প্রতিযোগিতায় তিনি মিক্সড ডাবলস বিভাগে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করেছেন।
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন কাশফিয়া আরফা। তিনি প্রতিষ্ঠানটির হ্যান্ডবল টিমেরও সদস্য ছিলেন। বর্তমানে অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশে কাজ করছেন। এ প্রতিযোগিতায় কাশফিয়া চালিয়েছেন একেবারে নতুন একটি গাড়ি। একটি নতুন ট্র্যাক লে-আউটে তিনি পার করেন তাঁর প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ। সেখানেই আরফা দেখিয়েছেন তাঁর দক্ষতা। এই অনুষ্ঠানের পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরফা দেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গর্ব করেন।
তিনি লেখেন, ‘দেশের প্রথম ও একমাত্র নারী রেসিং ড্রাইভার এবং ইন্টারন্যাশনাল অটোমোবাইল ফেডারেশন এফআইএ এএসএন জাতীয় রেসিং লাইসেন্সের ধারক হতে পেরে গর্বিত। এটা তো মাত্র শুরু। আরও অনেক কিছু আসছে।’ ইন্টারন্যাশনাল অটোমোবাইল ফেডারেশন বা এফআইএ এবং ন্যাশনাল স্পোর্টিং অথরিটি বা এএসএন রেসিং লাইসেন্স পেয়েছেন তিনি। এই কৃতিত্ব শুধু আরফার ক্যারিয়ারের জন্য নয়, বাংলাদেশের মোটর স্পোর্টস কমিউনিটির জন্যও মাইলফলক।
আরফা দেশের মেয়েদের মোটর স্পোর্টসকে ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়ার অনুপ্রেরণা দেন। তিনি মনে করেন, তাঁর এই অর্জন অন্য অনেককে অনুপ্রেরণা দেবে।

ঘড়িতে তখন ভোর ৫টা। চারপাশ যখন নিস্তব্ধ, তখন একজন গৃহবধূর দিন শুরু হয়। পরিবারের সবাই যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তিনি তখন রান্নাঘরে চুলার ছাই পরিষ্কার করছেন। পানি তোলা, নাশতা বানানো, সন্তানকে স্কুলের জন্য তৈরি করা থেকে শুরু করে গবাদিপশুর তদারকি—সবই তাঁর ভোরের রুটিন। বাংলাদেশের কোটি কোটি নারীর প্রতিদিনের..
১২ ঘণ্টা আগে
২০২১ সালের আগস্ট মাসের আগেও আফগানিস্তানের গণমাধ্যম ছিল প্রাণবন্ত। টেলিভিশনের পর্দায় ভেসে উঠত সংবাদ পাঠিকাদের মুখ, রেডিওতে ভেসে আসত নারীদের কণ্ঠস্বর। শুধু তা-ই নয়, মাঠপর্যায়ে থাকা নারী সাংবাদিকেরা তুলে ধরতেন সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের গল্প। কিন্তু সময় বদলে গেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
আমি চাকরি সূত্রে গাজীপুরে অফিস কোয়ার্টারে থাকি। আমার পরিবারের সবাই খুলনায় থাকে। এখানে রাত ৮টা বাজার আগেই গভীর রাতের নীরবতা নেমে আসে। অনেকটা সময় বিদ্যুৎ থাকে না। দোকানপাটও খুব একটা নেই। একমাত্র ছুটিতেই বাড়ি যেতে পারি।
১৫ ঘণ্টা আগে
শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের একসঙ্গে বসে খাওয়ার অধিকার আদায় করার একটি সফল ক্যাম্পেইন ‘লাঞ্চ কাউন্টার সিট-ইন’। ডায়ান ন্যাশ সেই ঐতিহাসিক সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। প্রথমবারের মতো সার্থকভাবে এটি লাঞ্চ কাউন্টারগুলোতে বর্ণবৈষম্যের প্রাচীর ভেঙে দিয়েছিল। আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনের ইতিহাস...
১৭ ঘণ্টা আগে