ডেস্ক প্রতিবেদন, ঢাকা

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন ৪৭ জন নারী। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, চীন, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, হংকং, তাইওয়ান ও কম্বোডিয়ার বিজ্ঞানীরা এই তালিকায় নিজেদের কাজের জন্য জায়গা করে নিয়েছেন। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ বিজ্ঞানীদের এ তালিকা তৈরি করেছে। সাময়িকীটি ২০১৬ সাল থেকে প্রতিবছর এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করে আসছে।
‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ সাময়িকীর এই তালিকায় আছেন বাংলাদেশের দুই, সিঙ্গাপুরের চার, পাকিস্তানের তিন, ভারতের চার, ভিয়েতনামের দুই, মালয়েশিয়ার তিন, ফিলিপাইনের পাঁচ, চীনের ছয়, জাপানের নয়, শ্রীলঙ্কার দুই, ইন্দোনেশিয়ার এক, থাইল্যান্ডের দুই ও তাইওয়ানের চারজন নারী বিজ্ঞানী।
তালিকায় স্থান পাওয়া বাংলাদেশের দুই বিজ্ঞানী হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী এবং অণুজীববিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা। গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী প্লাস্টিকের দূষণ এবং প্রকৃতি ও মানুষের জীবনে এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে একাধিক গবেষণা করেছেন। ২০২২ সালে জলজ প্রতিবেশ এবং বিপন্ন প্রাণী সুরক্ষায় অবদানের জন্য তিনি ওডব্লিউএসডি-এলসিভিয়ার ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড পান। সেঁজুতি সাহা বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসের জিন নকশা উন্মোচন করেন।

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন ৪৭ জন নারী। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, চীন, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, হংকং, তাইওয়ান ও কম্বোডিয়ার বিজ্ঞানীরা এই তালিকায় নিজেদের কাজের জন্য জায়গা করে নিয়েছেন। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ বিজ্ঞানীদের এ তালিকা তৈরি করেছে। সাময়িকীটি ২০১৬ সাল থেকে প্রতিবছর এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করে আসছে।
‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ সাময়িকীর এই তালিকায় আছেন বাংলাদেশের দুই, সিঙ্গাপুরের চার, পাকিস্তানের তিন, ভারতের চার, ভিয়েতনামের দুই, মালয়েশিয়ার তিন, ফিলিপাইনের পাঁচ, চীনের ছয়, জাপানের নয়, শ্রীলঙ্কার দুই, ইন্দোনেশিয়ার এক, থাইল্যান্ডের দুই ও তাইওয়ানের চারজন নারী বিজ্ঞানী।
তালিকায় স্থান পাওয়া বাংলাদেশের দুই বিজ্ঞানী হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী এবং অণুজীববিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা। গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী প্লাস্টিকের দূষণ এবং প্রকৃতি ও মানুষের জীবনে এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে একাধিক গবেষণা করেছেন। ২০২২ সালে জলজ প্রতিবেশ এবং বিপন্ন প্রাণী সুরক্ষায় অবদানের জন্য তিনি ওডব্লিউএসডি-এলসিভিয়ার ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড পান। সেঁজুতি সাহা বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসের জিন নকশা উন্মোচন করেন।

সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘মন জানালা’। ৪০ পেরোনো নারীর মন, শরীর আর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র ‘থেমে যাওয়া নয়, সময় এখন এগিয়ে যাবার’ শিরোনামে বিশেষ সেশনের আয়োজন করে। ১৬ জানুয়ারি রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
২ দিন আগে
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
৪ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৬ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
৬ দিন আগে