নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

১৯০৭ সালে বিক্রমপুরে এক বৈদ্য পরিবারে জন্মান বিপ্লবী ও সাহিত্যিক কমলা দাশগুপ্ত। এরপর পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় বসবাস শুরু করেন।
১৯২৪ সালে ঢাকার ব্রাহ্ম বালিকা শিক্ষালয় থেকে প্রবেশিকা পাস করে কলকাতায় ফিরে বেথুন কলেজে ভর্তি হন কমলা। ১৯২৮ সালে সেখান থেকে বিএ পাস করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইতিহাসে এমএ পাস করেন। সেখানে পড়া অবস্থাতেই যুগান্তর দলের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। সে সময় তিনি দীনেশ মজুমদারের কাছে লাঠিখেলা শিখতে শুরু করেন। ১৯২৯ সালে গান্ধীর অহিংসবাদ ছেড়ে সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য রসিক লাল দাসের প্রেরণায় যুগান্তর দলে যোগ দেন কমলা। ১৯২২ সালে গভর্নর স্ট্যানলি জ্যাকসনকে হত্যার চেষ্টাকারী বীণা দাসকে রিভলবার সরবরাহ করেন তিনি।
১৯৩২ থেকে ৩৮ সাল পর্যন্ত কমলা দাশগুপ্ত প্রেসিডেন্সি ও হিজলী বন্দিনিবাসে আটক থাকেন এবং ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হন। ১৯৩০ সালে তিনি বাড়ি ছেড়ে দরিদ্র নারীদের জন্য তৈরি একটি হোস্টেলের ম্যানেজার হিসেবে চাকরি নেন। দাঙ্গাবিধ্বস্ত নোয়াখালীতে ত্রাণ বিতরণের কাজ করেছেন এই বিপ্লবী। কর্মজীবনে শিক্ষকতা ছাড়াও ‘মন্দিরা’ নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন কমলা। দেশভাগের পরে লিখেছিলেন আত্মজীবনী এবং একটি গবেষণামূলক বই।

১৯০৭ সালে বিক্রমপুরে এক বৈদ্য পরিবারে জন্মান বিপ্লবী ও সাহিত্যিক কমলা দাশগুপ্ত। এরপর পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় বসবাস শুরু করেন।
১৯২৪ সালে ঢাকার ব্রাহ্ম বালিকা শিক্ষালয় থেকে প্রবেশিকা পাস করে কলকাতায় ফিরে বেথুন কলেজে ভর্তি হন কমলা। ১৯২৮ সালে সেখান থেকে বিএ পাস করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইতিহাসে এমএ পাস করেন। সেখানে পড়া অবস্থাতেই যুগান্তর দলের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। সে সময় তিনি দীনেশ মজুমদারের কাছে লাঠিখেলা শিখতে শুরু করেন। ১৯২৯ সালে গান্ধীর অহিংসবাদ ছেড়ে সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য রসিক লাল দাসের প্রেরণায় যুগান্তর দলে যোগ দেন কমলা। ১৯২২ সালে গভর্নর স্ট্যানলি জ্যাকসনকে হত্যার চেষ্টাকারী বীণা দাসকে রিভলবার সরবরাহ করেন তিনি।
১৯৩২ থেকে ৩৮ সাল পর্যন্ত কমলা দাশগুপ্ত প্রেসিডেন্সি ও হিজলী বন্দিনিবাসে আটক থাকেন এবং ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হন। ১৯৩০ সালে তিনি বাড়ি ছেড়ে দরিদ্র নারীদের জন্য তৈরি একটি হোস্টেলের ম্যানেজার হিসেবে চাকরি নেন। দাঙ্গাবিধ্বস্ত নোয়াখালীতে ত্রাণ বিতরণের কাজ করেছেন এই বিপ্লবী। কর্মজীবনে শিক্ষকতা ছাড়াও ‘মন্দিরা’ নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন কমলা। দেশভাগের পরে লিখেছিলেন আত্মজীবনী এবং একটি গবেষণামূলক বই।

সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘মন জানালা’। ৪০ পেরোনো নারীর মন, শরীর আর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র ‘থেমে যাওয়া নয়, সময় এখন এগিয়ে যাবার’ শিরোনামে বিশেষ সেশনের আয়োজন করে। ১৬ জানুয়ারি রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
১ দিন আগে
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
৩ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৫ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
৫ দিন আগে