আজ মৌমাছি দিবস। পৃথিবীর খাদ্যশৃঙ্খল ও কৃষিব্যবস্থার এক-তৃতীয়াংশ পরাগায়ন নির্ভর করে তাদের ওপর। কিন্তু ক্ষতিকর পরজীবী ভ্যারোয়া মাইট, ভাইরাস এবং কীটনাশকের প্রভাবে তারা হারিয়ে যাচ্ছে আশঙ্কাজনক হারে। মৌমাছিদের এই গণমৃত্যু ও বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে এক যুগান্তকারী প্রাকৃতিক সমাধান নিয়ে এসেছিলেন এক গবেষক। তিনি মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মার্লা স্পিভাক।
১৯৮৯ সালে কানসাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করা মার্লা ১৯৯৩ সাল থেকে মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা শুরু করেন। রাসায়নিক কীটনাশকের ক্ষতিকর ব্যবহার এড়াতে তিনি মৌমাছিদের প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধের এক বিশেষ আচরণ নিয়ে কাজ করেন, যাকে বলা হয় হাইজেনিক বিহেভিয়ার বা পরিচ্ছন্নতা আচরণ। তিনি লক্ষ করেন, কিছু মৌমাছি চাকের ভেতরে আক্রান্ত বা পরজীবী-সংক্রমিত লার্ভা ও পিউপা দ্রুত শনাক্ত করে তা চাক থেকে বের করে দিতে পারে। মৌমাছিদের এই বংশগত বৈশিষ্ট্য কাজে লাগিয়ে মার্লা তৈরি করেন সম্পূর্ণ রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন মৌমাছির এক নতুন প্রজাতি মিনেসোটা হাইজেনিক। এই মৌমাছিগুলো ক্ষতিকর ভ্যারোয়া মাইট ও অন্যান্য জীবাণুর বিরুদ্ধে চাকে কোনো রাসায়নিক ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে লড়াই করতে সক্ষম।
ম্যাকআর্থার জিনিয়াস গ্র্যান্ট বিজয়ী ড. মার্লা স্পিভাক শুধু ল্যাবরেটরিতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, তাঁর লেখা বিভিন্ন নির্দেশিকা, ভিডিও ও কর্মশালার মাধ্যমে তিনি আমেরিকার মৌচাষিদের নিজেদের এলাকায় এই হাইজেনিক মৌমাছি প্রজননে উদ্বুদ্ধ করছেন। মৌমাছির সংগৃহীত উদ্ভিদের আঠালো রস বা রেজিনের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছেন ড. মার্লা।

নারীর প্রতি বৈষম্য শুধু রাষ্ট্র বা সরকারের একার পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেছেন, নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক বিপ্লব প্রয়োজন। পরবর্তী প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের চিন্তাভাবনায় নারী-পুরুষের সমতার বিষয়টি...
৩ দিন আগে
গাজায় প্রতিদিন মানুষ মারা যাচ্ছে। ধ্বংসস্তূপে সন্তানকে বুকে জড়িয়ে কান্না করছেন মা। লাখো মানুষ অবরোধের মধ্যে খাদ্য এবং ওষুধের জন্য লড়াই করছে। এদিকে আরেকটি যুদ্ধ চলছে ডিজিটাল দুনিয়ায়। সেটি অস্ত্রের নয়, এই যুদ্ধের কেন্দ্রে রয়েছে একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন—পশ্চিমা নারীবাদ কি সব নারীর জন্য সমানভাবে কথা...
৫ দিন আগে
গ্রিক বংশোদ্ভূত আনাস্তাসিয়া ১৫ বছর বয়সে দাসী হিসেবে ইস্তাম্বুলের তোপকাপি প্রাসাদে আসেন। রূপ ও বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হয়ে সুলতান প্রথম আহমেদ তাঁকে গ্রহণ করেন এবং নতুন নাম দেন কোসেম। রাজপ্রাসাদে নিজের অবস্থান শক্ত করে ১৬০৫ থেকে ১৬১৭ সাল পর্যন্ত তিনি হাসেকি সুলতান বা সুলতানের প্রিয় স্ত্রী হিসেবে....
৫ দিন আগে
নারী অধিকারের অন্যতম মৌলিক সনদ বলা হয় সিইডিএডব্লিউ বা সিডওকে। বর্তমানে বিশ্বের ১৮৯টি দেশ জাতিসংঘ ঘোষিত এই সনদে স্বাক্ষর বা সম্মতি দিয়েছে। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ হাতে গোনা কয়েকটি দেশ এখন পর্যন্ত এই সনদের পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন দেয়নি।
৫ দিন আগে