
কথায় আছে, ভালোবাসার কোনো জাত, ধর্ম ও সীমানা নেই। সেই ভালোবাসার টানে টাঙ্গাইলের সখীপুরে এসেছেন ডং লিয়াং (৩০) নামে এক চীনা যুবক। অনলাইনে পরিচয়ের পর উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের বাগবেড় গ্রামের তরুণী আশিতার (২৫) সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে গতকাল শনিবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আশিতার বাড়িতে এসে উপস্থিত হন ডং লিয়াং। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।
আশিতা উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের বাগবেড় গ্রামের প্রবাসী আজমত আলীর মেয়ে।
আশিতা ও ডং লিয়াংয়ের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওয়ার্ল্ডটক নামের একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় হয়। ওই অ্যাপের মাধ্যমে প্রায় তিন মাস তাঁরা কথাবার্তা বলেন। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
আশিতা সাংবাদিকদের জানান, ডং লিয়াং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলে তিনি তাঁকে বিয়ে করবেন।
ডং লিয়াং নিজ ভাষায় কথা বলেন এবং মোবাইল ট্রান্সলেটরের মাধ্যমে জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে আশিতাকে বিয়ে করতে চান। বিয়ের পর আশিতাকে সঙ্গে নিয়ে চীনে যাওয়ার ইচ্ছার কথাও জানান তিনি।
চীন থেকে প্রেমের টানে ওই যুবকের সখীপুরে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি মুহূর্তেই উপজেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে এ বিষয়ে আশিতার পরিবারের কোনো সদস্য মন্তব্য করতে রাজি হননি।

শিশুটি বিষয়টি অন্য শিক্ষকদের জানালে তাঁরা ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে মারধর ও কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখান বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি বাবা-মাকে জানালে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
বহরমপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বগুড়া গ্রামের দলিল উদ্দিন মাস্টারের গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে মিশুক গাড়িতে তোলার সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। তাঁরা ওই ব্যক্তিদের পরিচয় ও গরুটির মালিকানা সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁদের মধ্যে একজন দৌড়ে পালিয়ে যান।
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বড়দেশী গ্রামের একটি আঞ্চলিক সড়কে এক বৃদ্ধ রিকশাচালক রিকশা মেরামত করছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেট কার এসে তাঁকে ও তাঁর রিকশাকে ধাক্কা দেয়। পরে গাড়ি থেকে কয়েকজন যুবক নেমে ওই রিকশাচালককে মারধর শুরু করেন।
২ ঘণ্টা আগে
ভোলার চরফ্যাশনের জেলেদের জালে নদী ও সাগরে একসময় ধরা পড়ত প্রচুর মাছ। মাছ বিক্রি করেই চলত হাজারো জেলে পরিবারের সংসার। তবে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই চিত্র। নদী ও সাগরে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় মাছ না পাওয়ায় কমেছে জেলেদের আয়। অথচ ট্রলার, জাল, জ্বালানি, খাবার ও সংসারের খরচ ঠিকই বহন করতে হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে