
ইরান নিয়ে নিজের গৃহীত নীতিগুলোর সমালোচনা করায় যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর আবার চড়াও হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শুক্রবার এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি সংবাদমাধ্যমগুলোকে আক্রমণ করে বলেন, তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর কাজের নেতিবাচক সমালোচনা করছে।
ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘ব্যর্থ নিউ ইয়র্ক টাইমস, ফেক নিউজ সিএনএন এবং অন্যরা এখন কী করবে ভেবে পাচ্ছে না।’ তিনি দাবি করেন, এই সংবাদমাধ্যমগুলো মরিয়া হয়ে তাঁর ইরান নীতির সমালোচনা করার জন্য কোনো একটা কারণ খুঁজছে; কিন্তু তারা তা খুঁজে পাচ্ছে না।
সংবাদমাধ্যমগুলোকে পরামর্শ দিয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, তারা কি সঠিক সময়ে এ কথাটি বলতে পারে না যে—‘মি. প্রেসিডেন্ট, আপনি দারুণ কাজ করেছেন’? এটা বললে তো তারা তাদের হারানো বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরে পেতে শুরু করবে।
উল্লেখ্য, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এবং শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপের চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে। ট্রাম্পের মতে, গণমাধ্যমগুলো তাঁর সফলতাকে স্বীকার না করে কেবল খুঁত খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

বিশ্বজুড়ে ইহুদি-বিদ্বেষ বা ‘অ্যান্টিসেমিটিজম’ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে বলে মনে করছে ইসরায়েলের ‘ডায়াসপোরা অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড কমব্যাটিং অ্যান্টিসেমিটিজম’ মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি বিশেষ প্রতিবেদনে মন্ত্রণালয়টি ২০২৫ সালের ১০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে, যাদের কর্মকাণ্ড এবং প্রচারণ
৬ মিনিট আগে
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে সমুদ্রপথে সবচেয়ে বেশি রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। এই এক বছরে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন। এই সমুদ্রপথের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর।
২২ মিনিট আগে
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে স্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। দেশটির এভিয়েশন অথরিটি এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ইরানি এয়ারলাইনস জানিয়েছে, ইরানের পূর্ব দিকের আকাশসীমা এবং রাজধানী তেহরানসহ মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর পুনরায় আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য উন্মুক্ত করে
৩৬ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়ে ইরান ঘোষণা করেছে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ তার ‘পূর্বাবস্থায়’ ফিরে গেছে। অর্থাৎ এই কৌশলগত জলপথটিতে এখন থেকে পুনরায় ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর তদারকি ও ব্যবস্থাপনা কার্যকর থাকবে।
১ ঘণ্টা আগে