ঝাল ঝাল ফুচকা, সঙ্গে টক—শুনেই জিভে জল আসবে অনেক মানুষের। তাই বলে কুকুরেরও যে ভালো লাগবে এই টক-ঝাল স্বাদ, তা কে জানত! সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা গেল এই মজার কাণ্ড।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে কুকুরের ফুচকা খাওয়ার ভিডিওটি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, এক নারী তাঁর পোষা কুকুরছানাকে কোলে নিয়ে ফুচকার দোকানে এসেছেন। এরপর কুকুরটিকে ফুচকা খেতে দিলেন তিনি। অমনি কড়মড় শব্দে চিবিয়ে ফুচকা খেল ছানাটি। এরপর টকজল দিলে তা-ও একেবারে চেটে খেয়ে নিল। ফুচকাওয়ালাকেও বেশ উপভোগ করতে দেখা গেছে নতুন কাস্টমারের ফুচকা খাওয়া।
ভিডিওর শেষে যিনি ভিডিওটি ধারণ করছেন বলে মনে হচ্ছে, তিনি রসিকতা করে বিক্রেতাকে বলেন, ‘ওরিওর (কুকুরছানাটির নাম) কাছ থেকে ফুচকার দাম নেবেন কিন্তু!’
ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করার পরই সাড়া পড়ে যায়। এরই মধ্যে ৮ লাখেরও বেশি ভিউ হয়েছে। লাইক পড়েছে ৬০ হাজারের বেশি। আর সেই সঙ্গে মজার সব মন্তব্য করছেন ব্যবহারকারীরা।
যদিও নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কুকুরছানার দীর্ঘায়ু কামনার পাশাপাশি মজার সব মন্তব্য করেছেন অনেকে। তবে সমালোচনাও করেছেন কেউ কেউ। কিছু ব্যবহারকারী কমেন্ট বিভাগে লিখেছেন, এমন খাবার পশুর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। অপর একজন লিখেছেন, ‘এরা পড়ালেখা জানা মূর্খ।’ আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘দয়া করে পোষা প্রাণীটির অভ্যাস খারাপ করবেন না।’
এর আগেও ওরিও নামের এই কুকুরছানার বিভিন্ন মজার কাণ্ডের ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে ইনস্টাগ্রামে। তবে ফুচকা খাওয়ার ভিডিওটি একটু বেশিই সাড়া ফেলেছে নেটিজেনদের মধ্যে।

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অন্য যেকোনো বয়সী মানুষের তুলনায় বেশি উদ্বিগ্ন জেন জেড বা জেন–জি। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অন্যদের তুলনায় উদ্বিগ্ন হলেও ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী এই প্রজন্ম সবচেয়ে বেশি সময় ধরে গোসল করেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
তাঁর কাছে শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়। প্রত্যন্ত এলাকার শিশুরাও যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করাকে নিজের দায়িত্ব মনে করেন তিনি। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই একজন শিক্ষার্থীকে পড়াতে প্রতিদিন প্রায় ৫ কিলোমিটার দুর্গম পথ পাড়ি দেন ৫৫ বছর বয়সী জীবন মিথারি।
১৯ ঘণ্টা আগে
কখনো কখনো জীবনের কিছু গল্প শুনলে মনে হয়ে যেন সিনেমার কাহিনী। অবশ্য সিনেমাগুলো বাস্তবের ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় বেশির ভাগ সময়ই। কিন্তু বাস্তবতা কখনো কল্পনাকেও হার মানিয়ে দেয়। আর এমনই এক সিনেমাটিক জীবন মিনা ও মিনাল নামে দুই বান্ধবীর কিংবা বলা হয় দুই বোনের।
২ দিন আগে
নোবেল পুরস্কারের কথা নিশ্চয়ই শুনেছেন। মানবজাতির জন্য অসাধারণ কাজ করা বিজ্ঞানীদের দেওয়া হয় এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। তবে এর কিছুটা অদ্ভুত স্বভাবের এক ‘ভাই’ আছে, যার নাম ‘ইগ নোবেল’ পুরস্কার। এই পুরস্কার দেওয়া হয় এমন গবেষণাকে, যা ‘প্রথমে মানুষকে হাসায়, তারপর ভাবতে বাধ্য করে।’
৬ দিন আগে