২০১০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিট পেতে এক ব্যক্তি কুমিরে ভরা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। উরুগুয়ের এক খেলোয়াড় হার্ট অ্যাটাকের পরেই মাঠে ফিরেছিলেন। মেসি বড় খেলোয়াড়, নাকি রোনালদো—এমন বিতর্ক করতে করতে সংসারই ভেঙে গেছে এক রুশ দম্পতির। বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে এ রকম অদ্ভুত সব গল্প নিয়ে সম্প্রতি একটি বই লিখেছেন আর্জেন্টিনার এক লেখক।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বইটির নাম ‘ইনক্রেডিবল ওয়ার্ল্ডকাপ স্টোরিজ’। আর লেখকের নাম লুসিয়ানো ওয়ার্নিক। বইটি ইতিমধ্যে বিশ্বের কুড়িটি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে।
আজ রোববার উদ্বোধন হতে যাচ্ছে কাতার বিশ্বকাপ। বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই ক্রীড়া আয়োজনকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার চেষ্টা করেছেন লুসিয়ানো ওয়ার্নিক। তিনি রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘অনেক ছোট ছোট গল্প আছে। এসব গল্প থেকে বোঝা যায় ফুটবলের প্রতি মানুষের কী পরিমাণ আবেগ!’
লুসিয়ানো ওয়ার্নিক তাঁর বইয়ে লিখেছেন, ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপের সময় এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছিল। বুলগেরিয়া ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে, তা নিয়ে নিজের স্ত্রীকে বাজি ধরেছিলেন আলবেনিয়ার এক ব্যক্তি। তিনি বলেছিলেন, আর্জেন্টিনা যদি হেরে যায়, তিনি তাঁর স্ত্রীকে ত্যাগ করবেন। সেই খেলায় আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে বুলগেরিয়ার কাছে হেরেছিল। বাজিতে হেরে গিয়ে ওই ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীকে ত্যাগ করেছিলেন।
এ ঘটনার ১৬ বছর পর ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের সময় ঘটেছিল আরেকটি অদ্ভুত ঘটনা। দক্ষিণ আফ্রিকার একটি রেডিও স্টেশন বলেছিল, যিনি সর্বোচ্চ পাগলামি দেখাতে পারবেন, তাঁকে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের দুটি টিকিট দেওয়া হবে। অনেকেই অনেক ধরনের পাগলামি করে টিকিট জয়ের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বিজয়ী হয়েছিলেন সেই ব্যক্তি, যিনি জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে কুমিরে ভর্তি একটি নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।
লেখক লুসিয়ানো ওয়ার্নিক তাঁর বইয়ে প্রতিটি বিশ্বকাপের জন্য একটি করে অধ্যায় বরাদ্দ করেছেন। বর্তমানে বইটির তৃতীয় সংস্করণ চলছে। ৫২ বছর বয়সী ওয়ার্নিক বলেছেন, ‘এবারের বিশ্বকাপেও নিশ্চয় খেলার বাইরে অনেক আকর্ষণীয় ও অদ্ভুত ঘটনা ঘটবে। এসব ঘটনার সামাজিক গুরুত্ব রয়েছে।’
বিশ্বকাপ ফুটবল সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অন্য যেকোনো বয়সী মানুষের তুলনায় বেশি উদ্বিগ্ন জেন জেড বা জেন–জি। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অন্যদের তুলনায় উদ্বিগ্ন হলেও ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী এই প্রজন্ম সবচেয়ে বেশি সময় ধরে গোসল করেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
তাঁর কাছে শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়। প্রত্যন্ত এলাকার শিশুরাও যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করাকে নিজের দায়িত্ব মনে করেন তিনি। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই একজন শিক্ষার্থীকে পড়াতে প্রতিদিন প্রায় ৫ কিলোমিটার দুর্গম পথ পাড়ি দেন ৫৫ বছর বয়সী জীবন মিথারি।
২০ ঘণ্টা আগে
কখনো কখনো জীবনের কিছু গল্প শুনলে মনে হয়ে যেন সিনেমার কাহিনী। অবশ্য সিনেমাগুলো বাস্তবের ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় বেশির ভাগ সময়ই। কিন্তু বাস্তবতা কখনো কল্পনাকেও হার মানিয়ে দেয়। আর এমনই এক সিনেমাটিক জীবন মিনা ও মিনাল নামে দুই বান্ধবীর কিংবা বলা হয় দুই বোনের।
২ দিন আগে
নোবেল পুরস্কারের কথা নিশ্চয়ই শুনেছেন। মানবজাতির জন্য অসাধারণ কাজ করা বিজ্ঞানীদের দেওয়া হয় এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। তবে এর কিছুটা অদ্ভুত স্বভাবের এক ‘ভাই’ আছে, যার নাম ‘ইগ নোবেল’ পুরস্কার। এই পুরস্কার দেওয়া হয় এমন গবেষণাকে, যা ‘প্রথমে মানুষকে হাসায়, তারপর ভাবতে বাধ্য করে।’
৬ দিন আগে