অর্ণব সান্যাল

জীবনের সঙ্গে যখন যুদ্ধের সন্ধি হয়, তখনই সেটি হয়ে যায় ‘জীবনযুদ্ধ’। যখনই কোনো কিছু যুদ্ধের সমতুল্য হয়ে ওঠে, তখনই তাতে থাকে প্রতিযোগিতা। আর এমন প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার বা পিছিয়ে পড়ার হিসাব তো থাকেই!
জীবনকে যুদ্ধরূপ মনে করানোর ক্ষেত্রে কিছু উপাদান কাজ করে। অর্থাৎ, সেসব উপাদানের প্রভাবেই জীবনযুদ্ধে পরিণত হয়। আমাদের দেশে একেক সময় একেক উপাদান জীবনকে যুদ্ধে পরিণত করার দায়িত্ব নিয়ে থাকে। অনেক সময় আবার একাধিক উপাদানের মধ্যেও এক ধরনের ইঁদুর–বিড়াল খেলা চলে। কখনো তেল চালকের আসনে বসে, আবার কখনো সেই স্থান নিয়ে নেয় চাল। এবার অবশ্য তেল বা চালকে পুরোপুরি পার্শ্বনায়ক বানিয়ে প্রধান নায়কের চরিত্র বাগিয়ে নিয়েছে লোডশেডিং!
সম্প্রতি দেশে সময়সূচি পরিবর্তন করে ‘নির্দিষ্ট’ সময়ে লোডশেডিংয়ের কাল শুরু হয়েছে। নির্দিষ্ট শব্দটির আগে–পরে এই যে দুটো ঊর্ধ্বকমা ব্যবহার করা হলো, এর মাজেজা ক্রমশ প্রকাশ্য। কারণ একবারে যদি সব বলে ফেলি, তবে লেখাটা বড় হবে কী করে!
এর আগে কোনো ঘোষণা না দিয়েই যখন–তখন ‘চলে যাওয়ার’ অধিকার ছিল বিদ্যুতের। এবার সেই অধিকারে বাঁধ টানা হয়েছে। সমস্যা হলো, সেই বাঁধ সুনামগঞ্জের মতো। প্রতি বরষায় যেমন নিয়ম করে সুনামগঞ্জের বাঁধ ভেঙে বা ভেসে যাওয়ার খবর আমরা পাই, তেমনি ‘নির্দিষ্ট’ রুটিনের লেবাস গায়ে জড়িয়ে ইচ্ছামৃত্যুর মতো কাজকারবার করছে লোডশেডিং। তুড়ি মেরে রুটিন উড়িয়ে দিয়ে চলছে সেই ‘অনির্দিষ্ট’ লোডশেডিং। অবস্থা এমন হয়েছে, হয়তো সময় দেখে ঘড়ি অনুযায়ী ভ্যাপসা গরমে সিদ্ধ হওয়ার প্রস্তুতি নিলাম, কিন্তু গেল না! দু–দশ মিনিট, এমনকি মিনিট তিরিশেকও অপেক্ষা করা যায়। কিন্তু লোডশেডিংয়ের সময়সূচি মেনে চলার ‘শৃঙ্খলা’ এতটাই ‘নিয়মানুবর্তী’ যে, ‘সে যে গেল না, গেল না’ প্যারোডি গাইতে গাইতে ঠিক যে সময়টায় মনটা প্রফুল্ল হয়ে উঠতে যাবে একটি দিনের জন্য হলেও জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনায়, ঠিক তখনই সব অন্ধকার!
বুঝলেন, ঠিক ওই সময়টায় কি যে অনুভূতি হয়, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। যেন একপক্ষীয় প্রেম নিবেদনের পর পাল্টা ‘লাভ ইউ’ শুনব শুনব করেও আর শোনা হলো না! ওদিকে বাংলা সিনেমার মতো ‘তোকে ভালোবাসতেই হবে’ বলার মতো মানসিক অবকাঠামোও নেই। সবাই তো আর অন্যের মন না বুঝেই যখন–তখন মেইন সুইচ অফ করে দেওয়ার মতো সর্বগ্রাসী ক্ষমতাশালী হয়ে উঠতে চান না। তেমনটা হলে তো কবেই এতদঞ্চলে সবারই ‘পিনিক’ উঠে যেত! দেশের হ-য-ব-র-ল অবস্থা উল্টে হয়ে যেত ল-র-ব-য-হ।
এখন কথা হলো, এত প্রতিকূলতার মধ্যেও কীভাবে জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যাওয়া যায়?
এর জন্য প্রথমেই আমাদের মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, জীবনযুদ্ধে আমরা কম–বেশি সবাই আছি। এ দেশে জীবনযুদ্ধে সাধারণ মানুষদের মধ্যে কে নেই বলুন? সবাই যুদ্ধে যে যার মতো লড়ে চলেছে। তবে অসাধারণদের বিষয় আলাদা, সে ক্ষেত্রে জীবনযুদ্ধের ময়দান বেশ কুসুমাস্তীর্ণ। বল্লমের খোঁচা সেথায় গোলাপের পাপড়ির মতো ঠেকে! কিন্তু যা অ–সাধারণ, তা নিয়ে সাধারণদের অত মাথা না ঘামালেও চলবে।
সুতরাং, শুরুতেই যুদ্ধের জন্য নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে ফেলার পর পরবর্তী ধাপে পা রাখতে হবে। পায়ে সমস্যা থাকলে হামাগুড়ি স্টাইলে হাত রাখবেন। এতে করেই জীবনযুদ্ধের রেসে যে কেউ একধাপ এগিয়ে যেতে পারবে। সকল পরীক্ষায় প্রস্তুতি একটা বড় বিষয়। সেটি হয়ে গেলে এরপর এগিয়ে যাওয়া ঠেকানো কঠিন বেশ!
প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির পর এবার লোডশেডিংয়ের যে কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি মন ও ফোন থেকে মুছে ফেলুন। মেনে নিন যে—আপনার চারপাশে যে কোনো সময় অন্ধকার নেমে আসতে পারে, যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে পাখা। এতে দেখবেন, হিন্দি বা নিদেনপক্ষে বর্তমানের ট্রেন্ডি বাংলা সিরিয়ালের সর্বংসহা গৃহবধূর চরিত্রের মতো করে আপনার এক ধরনের মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা সৃষ্টি হয়েছে। আর তখনই কোনো আঘাতই আপনাকে দুমড়ে–মুচড়ে দিতে পারবে না। আর কে না জানে, মনের সান্ত্বনাই বড় সান্ত্বনা!
এরপর নিতে হবে কিছু নিনজা টেকনিক। ধরুন, বিদ্যুৎ চলে গেল ভাতের হাঁড়ি উনুনে চড়ানোর পর। তাৎক্ষণিকভাবে নিজেকে বোঝাতে হবে যে—বিদ্যুৎ গেছে, গ্যাস তো যায়নি! এরপর উনুনের আগুনে মোম জ্বালিয়ে ফেলতে হবে। ফ্যানের ঘূর্ণনের অভাবে শরীর ভিজে গেলে, প্রচুর পরিমাণে টিস্যু পেপার গায়ে জড়িয়ে নিতে হবে। এতে করে এ দেশের শ্রমিকের ঘামের মতো আপনার ঘামও পারিশ্রমিক পাওয়ার আগেই শুকিয়ে যাবে। তখন আর আক্ষেপ বোধ হবে না।
এভাবে আরও কিছু নিনজা টেকনিক বের করে নিতে হবে। সব তো আর গাইড বইয়ের মতো গিলিয়ে দেওয়া যায় না। কিছু সৃষ্টিশীলতা নিজেকেও দেখাতে হবে বাপু।
সুতরাং, সৃষ্টিশীল হয়ে উঠুন, ঘরে সৃষ্টির আলোয় লণ্ঠন জ্বালান। প্রথমে একজন–দুজন করে হয়তো সফল হবেন। তারা জীবনযুদ্ধে এগিয়েও যাবেন তরতরিয়ে। তবে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে যদি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তবে একসময় দেখা যাবে দেশে আর লণ্ঠন জ্বালাতে কেরোসিন লাগছে না। আর তখনই আমরা সৃষ্টির আলোয় সামগ্রিকভাবে জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যেতে পারব।
উফ, খুব ক্লান্ত লাগছে, বুঝলেন! এগিয়ে যাওয়ার এতগুলো পথ বাতলে দিয়ে আসলে জীবনযুদ্ধে কে এগিয়ে গেল? হা…হা…হা… কি, হিংসে হয়?

জীবনের সঙ্গে যখন যুদ্ধের সন্ধি হয়, তখনই সেটি হয়ে যায় ‘জীবনযুদ্ধ’। যখনই কোনো কিছু যুদ্ধের সমতুল্য হয়ে ওঠে, তখনই তাতে থাকে প্রতিযোগিতা। আর এমন প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার বা পিছিয়ে পড়ার হিসাব তো থাকেই!
জীবনকে যুদ্ধরূপ মনে করানোর ক্ষেত্রে কিছু উপাদান কাজ করে। অর্থাৎ, সেসব উপাদানের প্রভাবেই জীবনযুদ্ধে পরিণত হয়। আমাদের দেশে একেক সময় একেক উপাদান জীবনকে যুদ্ধে পরিণত করার দায়িত্ব নিয়ে থাকে। অনেক সময় আবার একাধিক উপাদানের মধ্যেও এক ধরনের ইঁদুর–বিড়াল খেলা চলে। কখনো তেল চালকের আসনে বসে, আবার কখনো সেই স্থান নিয়ে নেয় চাল। এবার অবশ্য তেল বা চালকে পুরোপুরি পার্শ্বনায়ক বানিয়ে প্রধান নায়কের চরিত্র বাগিয়ে নিয়েছে লোডশেডিং!
সম্প্রতি দেশে সময়সূচি পরিবর্তন করে ‘নির্দিষ্ট’ সময়ে লোডশেডিংয়ের কাল শুরু হয়েছে। নির্দিষ্ট শব্দটির আগে–পরে এই যে দুটো ঊর্ধ্বকমা ব্যবহার করা হলো, এর মাজেজা ক্রমশ প্রকাশ্য। কারণ একবারে যদি সব বলে ফেলি, তবে লেখাটা বড় হবে কী করে!
এর আগে কোনো ঘোষণা না দিয়েই যখন–তখন ‘চলে যাওয়ার’ অধিকার ছিল বিদ্যুতের। এবার সেই অধিকারে বাঁধ টানা হয়েছে। সমস্যা হলো, সেই বাঁধ সুনামগঞ্জের মতো। প্রতি বরষায় যেমন নিয়ম করে সুনামগঞ্জের বাঁধ ভেঙে বা ভেসে যাওয়ার খবর আমরা পাই, তেমনি ‘নির্দিষ্ট’ রুটিনের লেবাস গায়ে জড়িয়ে ইচ্ছামৃত্যুর মতো কাজকারবার করছে লোডশেডিং। তুড়ি মেরে রুটিন উড়িয়ে দিয়ে চলছে সেই ‘অনির্দিষ্ট’ লোডশেডিং। অবস্থা এমন হয়েছে, হয়তো সময় দেখে ঘড়ি অনুযায়ী ভ্যাপসা গরমে সিদ্ধ হওয়ার প্রস্তুতি নিলাম, কিন্তু গেল না! দু–দশ মিনিট, এমনকি মিনিট তিরিশেকও অপেক্ষা করা যায়। কিন্তু লোডশেডিংয়ের সময়সূচি মেনে চলার ‘শৃঙ্খলা’ এতটাই ‘নিয়মানুবর্তী’ যে, ‘সে যে গেল না, গেল না’ প্যারোডি গাইতে গাইতে ঠিক যে সময়টায় মনটা প্রফুল্ল হয়ে উঠতে যাবে একটি দিনের জন্য হলেও জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনায়, ঠিক তখনই সব অন্ধকার!
বুঝলেন, ঠিক ওই সময়টায় কি যে অনুভূতি হয়, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। যেন একপক্ষীয় প্রেম নিবেদনের পর পাল্টা ‘লাভ ইউ’ শুনব শুনব করেও আর শোনা হলো না! ওদিকে বাংলা সিনেমার মতো ‘তোকে ভালোবাসতেই হবে’ বলার মতো মানসিক অবকাঠামোও নেই। সবাই তো আর অন্যের মন না বুঝেই যখন–তখন মেইন সুইচ অফ করে দেওয়ার মতো সর্বগ্রাসী ক্ষমতাশালী হয়ে উঠতে চান না। তেমনটা হলে তো কবেই এতদঞ্চলে সবারই ‘পিনিক’ উঠে যেত! দেশের হ-য-ব-র-ল অবস্থা উল্টে হয়ে যেত ল-র-ব-য-হ।
এখন কথা হলো, এত প্রতিকূলতার মধ্যেও কীভাবে জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যাওয়া যায়?
এর জন্য প্রথমেই আমাদের মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, জীবনযুদ্ধে আমরা কম–বেশি সবাই আছি। এ দেশে জীবনযুদ্ধে সাধারণ মানুষদের মধ্যে কে নেই বলুন? সবাই যুদ্ধে যে যার মতো লড়ে চলেছে। তবে অসাধারণদের বিষয় আলাদা, সে ক্ষেত্রে জীবনযুদ্ধের ময়দান বেশ কুসুমাস্তীর্ণ। বল্লমের খোঁচা সেথায় গোলাপের পাপড়ির মতো ঠেকে! কিন্তু যা অ–সাধারণ, তা নিয়ে সাধারণদের অত মাথা না ঘামালেও চলবে।
সুতরাং, শুরুতেই যুদ্ধের জন্য নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে ফেলার পর পরবর্তী ধাপে পা রাখতে হবে। পায়ে সমস্যা থাকলে হামাগুড়ি স্টাইলে হাত রাখবেন। এতে করেই জীবনযুদ্ধের রেসে যে কেউ একধাপ এগিয়ে যেতে পারবে। সকল পরীক্ষায় প্রস্তুতি একটা বড় বিষয়। সেটি হয়ে গেলে এরপর এগিয়ে যাওয়া ঠেকানো কঠিন বেশ!
প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির পর এবার লোডশেডিংয়ের যে কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি মন ও ফোন থেকে মুছে ফেলুন। মেনে নিন যে—আপনার চারপাশে যে কোনো সময় অন্ধকার নেমে আসতে পারে, যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে পাখা। এতে দেখবেন, হিন্দি বা নিদেনপক্ষে বর্তমানের ট্রেন্ডি বাংলা সিরিয়ালের সর্বংসহা গৃহবধূর চরিত্রের মতো করে আপনার এক ধরনের মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা সৃষ্টি হয়েছে। আর তখনই কোনো আঘাতই আপনাকে দুমড়ে–মুচড়ে দিতে পারবে না। আর কে না জানে, মনের সান্ত্বনাই বড় সান্ত্বনা!
এরপর নিতে হবে কিছু নিনজা টেকনিক। ধরুন, বিদ্যুৎ চলে গেল ভাতের হাঁড়ি উনুনে চড়ানোর পর। তাৎক্ষণিকভাবে নিজেকে বোঝাতে হবে যে—বিদ্যুৎ গেছে, গ্যাস তো যায়নি! এরপর উনুনের আগুনে মোম জ্বালিয়ে ফেলতে হবে। ফ্যানের ঘূর্ণনের অভাবে শরীর ভিজে গেলে, প্রচুর পরিমাণে টিস্যু পেপার গায়ে জড়িয়ে নিতে হবে। এতে করে এ দেশের শ্রমিকের ঘামের মতো আপনার ঘামও পারিশ্রমিক পাওয়ার আগেই শুকিয়ে যাবে। তখন আর আক্ষেপ বোধ হবে না।
এভাবে আরও কিছু নিনজা টেকনিক বের করে নিতে হবে। সব তো আর গাইড বইয়ের মতো গিলিয়ে দেওয়া যায় না। কিছু সৃষ্টিশীলতা নিজেকেও দেখাতে হবে বাপু।
সুতরাং, সৃষ্টিশীল হয়ে উঠুন, ঘরে সৃষ্টির আলোয় লণ্ঠন জ্বালান। প্রথমে একজন–দুজন করে হয়তো সফল হবেন। তারা জীবনযুদ্ধে এগিয়েও যাবেন তরতরিয়ে। তবে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে যদি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তবে একসময় দেখা যাবে দেশে আর লণ্ঠন জ্বালাতে কেরোসিন লাগছে না। আর তখনই আমরা সৃষ্টির আলোয় সামগ্রিকভাবে জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যেতে পারব।
উফ, খুব ক্লান্ত লাগছে, বুঝলেন! এগিয়ে যাওয়ার এতগুলো পথ বাতলে দিয়ে আসলে জীবনযুদ্ধে কে এগিয়ে গেল? হা…হা…হা… কি, হিংসে হয়?

চীনা নববর্ষের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক সাধারণ আহ্বান মুহূর্তেই রূপ নিয়েছিল বিশাল জনসমাগম ও গ্রামীণ উৎসবে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের চংকিংয়ের হেচুয়ান অঞ্চলের চিংফু গ্রামে। ২০ বছর বয়সী এক তরুণী দাইদাই চীনা টিকটকে সহায়তার আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁর বাবা বয়সের কারণে...
১ দিন আগে
নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে চলমান ইন্ডিয়া ওপেন সুপার-৭৫০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অস্বাভাবিক ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরুষদের এককের দ্বিতীয় রাউন্ডে ভারতের এইচএস প্রণয় ও সিঙ্গাপুরের লো কিন ইউয়ের ম্যাচে কোর্টে পাখির বিষ্ঠা পড়ায় দুবার খেলা বন্ধ রাখতে
১ দিন আগে
ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় জঙ্গলে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত নতুন করে উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। দেশটির ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সারান্ডা বনাঞ্চলে একটি দাঁতাল হাতির হামলায় মাত্র এক সপ্তাহে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
৮ দিন আগে
বলকান অঞ্চলের নস্ত্রাদামুস হিসেবে পরিচিত বুলগেরীয় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা বিশ্বের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আলোচিত। এর আগে তিনি, ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু এবং চীনের উত্থানের মতো ঘটনাও তিনি আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।
৮ দিন আগে