স্টারলিংক

বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর এক বছরে স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক মাত্র পাঁচ হাজারের কিছু বেশি গ্রাহক টানতে পেরেছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই করপোরেট গ্রাহক। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের স্টারলিংক নিয়ে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।

স্টারলিংকের যুক্তি ছিল, তাদের হাবগুলোতে যদি বাংলাদেশের প্রচলিত ফিল্টারিং ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ইন্টারনেট পাঠাতে হয়, তাহলে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব তৈরি হবে। তাই তারা এই আন্তর্জাতিক ট্রানজিট সংযোগের জন্য আনফিল্টারড ইন্টারনেট পরিবহনের অনুমতি চেয়েছিল।

বাংলাদেশে আগামী কয়েক বছরে ২৫ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন। সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ১০০ কোটি ডলার সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই আকর্ষণ, ডিজিটাল ব্যাংকিং, এআই ও নতুন ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনাও তুলে ধরেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন ইন্টারনেট বন্ধের সময় বিক্ষোভকারীদের নেটওয়ার্ক সচল রাখতে দেশটিতে হাজার হাজার ‘স্টারলিংক’ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট রিসিভার পাচার করা হয়েছিল। এমন দাবি করেছেন খোদ ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত।