
নারীদের বিরুদ্ধে সাইবার বুলিং, চরিত্রহনন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুয়া কনটেন্ট ছড়ানোর বিষয়ে এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে দীর্ঘ আইনি ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তখন তাঁকে থামিয়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, সংসদ সদস্যের

কয়েক দিন আগে এক তরুণী উদ্যোক্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন বুলিংয়ের প্রতিকারের জন্য তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হননি। তিনি ফেসবুকে তাঁকে আক্রমণকারী ১০ জনকে শনাক্ত করে ই-মেইলে তাঁদের কর্মস্থলে অভিযোগ করেন।

‘আপনারা যদি মনে করেন, এই মেয়েগুলো এখানে যারা উপস্থিত আছে এবং যারা উপস্থিত নেই এই মেয়েগুলোকে গালি দিয়ে, স্লট শেমিং করে, সাইবার বুলিং করে দমিয়ে রাখতে পারবেন তাদের জন্য এক বালতি সমবেদনা রইল। কারণ আমরা আসলে এইসব জিনিস পার করে আসছি। এখন আমাদের সামনের যে পথগুলো আছে, সেই পথে আমরা সবাই হাতে হাত ধরে এগিয

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্রিজিতের লৈঙ্গিক পরিচয় নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো এবং এই দম্পতির মধ্যকার ২৪ বছরের বয়সের ব্যবধান নিয়ে ‘বিদ্বেষমূলক মন্তব্য’ করার অভিযোগ আনা হয়েছিল।