
সুযোগের সদ্ব্যবহার কীভাবে করতে হয়, শরীফুল ইসলাম সেটাই দেখিয়ে দিলেন ম্যাকাইয়ে। অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়ে স্বাগতিকদের কাঁপিয়ে দিয়েছেন। প্যাট কামিন্স তো প্রশংসা করেছেনই, এমনকি শরীফুলের পারফরম্যান্সে মুগ্ধতা ঝরেছে স্যার ইয়ান বিশপের কণ্ঠেও।

শরীফুলের দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসে ৬৪ রানে গুটিয়ে গিয়েও ম্যাচে টিকে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটাররা মুখ থুবড়ে পড়ায় আর শেষ রক্ষা হয়নি। ইনিংস হারের লজ্জা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে অতিথিদের।

চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেই দুর্দান্ত বোলিং করলেন শরীফুল ইসলাম। ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ২১০ রানে আটকে দিতে নায়কের ভূমিকাটা পালন করলেন এই পেসারই। তাতেই একগাদা রেকর্ডের মালিক বনে গেছেন তিনি।

চোটের কারণে প্রথম টেস্টের দলে না থাকায় সতীর্থদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিমানে চড়া হয়নি শরীফুল ইসলামের। ফিটনেস টেস্টে পাস করার পর একা পাড়ি দেন ক্যাঙ্গারুদের দেশে। দ্বিতীয় টেস্টের একাদশে সুযোগ পেয়েই করলেন টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের সেরা বোলিং।