
চা বিরতির আগে ২ উইকেট নেওয়া শরীফুল শেষ সেশনে আরও বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠলেন। প্রথমে ফিফটির পথে থাকা স্টিভ স্মিথকে ফেরান এই পেসার। এরপর তাঁর পেস তাণ্ডবের শিকার হন বিউ ওয়েবস্টার ও প্যাট কামিন্স। ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফারের স্বাদ পান শরীফুল।
শরীফুলের বোলিং তোপে পড়ে বাংলাদেশকে ৬৪ রানে অলআউট করেও স্বস্তিতে নেই অস্ট্রেলিয়া। ১৪৮ রানে অষ্টম উইকেট হারিয়ে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় স্বাগতিকেরা। চা বিরতিতে যাওয়ার আগে ৩ উইকেট হারিয়ে ৫০ রান করেছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে লিড নেয় তারা।
এরপরই শরীফুরের আঘাতে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনে ছন্দপতন। শুরুটা করেন স্মিথকে দিয়ে। শরীফুলের ডেলিভারি স্মিথের প্যাডে লাগলে আম্পায়ার আউট দেন। রিভিউ নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি তারকা ব্যাটার। ৪২ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি। স্মিথকে ফিরিয়ে চতুর্থ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার ৭৭ রানের জুটি ভাঙেন শরীফুল।
এরপর বিপর্যয় নামে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনে। ৫ রান করা অ্যালেক্স ক্যারিকে হাসান মাহমুদের ক্যাচ বানান মেহেদী হাসান মিরাজ। পরের টানা ৩ উইকেট পকেটে পুরেন শরীফুল। এর মধ্যে ওয়েবস্টার ও কামিন্সকে রানের খাতা খুলতেই দেননি। একই ওভারে এই দুজনকে আউট করেন শরীফুল।
এক ওভার পর বোলিংয়ে এসে মিচেল স্টার্ককে বিদায় করেন শরীফুল। ১ রান করা অস্ট্রেলিয়ান পেসারকে বোল্ড করেন তিনি।

গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৬৪ রানে। সফরকারীদের এই ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সগ্রহটা কোনো ব্যাটারের নয়, বোলারের। সেটাও ১১ নম্বরে নামা শরীফুল ইসলামের। মিচেল স্টার্কের বলে অ্যালেক্স ক্যারির হাত ক্যাচ দিয়ে শেষ ব্যাটার হিসেবে যখন ফিরছিলেন, তখন এই পেসারের নামের পাশে ১৪
১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার পেস তাণ্ডবে প্রথম ইনিংসে অসহায় ছিল বাংলাদেশের ব্যাটাররা। প্রথম সাত স্বীকৃত ব্যাটারের চারজনই ফিরেছেন রানের খাতা খোলার আগেই। ব্যর্থতাভরা ইনিংসে সর্বোচ্চ ১৪ রান এনে দেন ১১ নম্বরে নামা শরীফুল। এবার তাঁর বোলিংয়েও স্বস্তি পাচ্ছে বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
দুঃস্বপ্নের এক সেশন শেষে টেস্টে সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড এড়ানোই ছিল বাংলাদেশের আসল চ্যালেঞ্জ। সে চ্যালেঞ্জে অবশ্য উতরে গেল সফরকারীরা। কিন্তু শুরুর বাজে ব্যাটিংয়ে হতাশা কাটিয়ে স্কোরবোর্ডে সম্মানজনক পুঁজি দাঁড় করাতে পারল না বাংলাদেশ।
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৬–২৭ মৌসুমের ঘরোয়া ফুটবল শুরু নিয়ে আবারও বদলেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পরিকল্পনা। আগস্টে মাঠে গড়ানোর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এ মাসে শুরু হচ্ছে না লিগ। নতুন সূচি অনুযায়ী, ১৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ফুটবল লিগ এবং ২২ সেপ্টেম্বর ফেডারেশন কাপ শুরু হওয়ার কথা। ক্লাবগুলোকে চিঠি দিয়ে নতুন সূচির কথা
৪ ঘণ্টা আগে