দরজায় কড়া নাড়ছে নিউজিল্যান্ড সিরিজ। ব্ল্যাক ক্যাপদের বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ের আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। সিরিজকে সামনে রেখে আজ দলীয় অনুশীলনে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই দেখা গেল ওয়ানডে দলে থাকা শরীফুল ইসলাম এবং নাহিদ রানাকে। নিউজিল্যান্ড সিরিজের কারণে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) মাঝপথে দেশে ফিরেছেন তাঁরা দুজন।
শরীফুল এবং নাহিদ—দুজনকেই দলে নিয়েছে পেশোয়ার জালমি। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির হয়ে পাঁচটি ম্যাচ খেলেছেন শরীফুল। আপাতত নিউজিল্যান্ড সিরিজের ব্যস্ততা সময় কাটছে ক্রিকেটারদের। ওয়ানডে দিয়ে দুই দলের সিরিজ শুরু হবে আগামী ১৭ এপ্রিল; শেষ হবে ২ মে। অন্যদিকে পিএসএল শেষ হবে তার পর দিন। অর্থাৎ টুর্নামেন্টের বাকি অংশে শরীফুলের খেলা এখন অনিশ্চিত। তবে সুযোগ পেলে আবার পেশোয়ার জালমিতে যোগ দিতে চান এই বোলার।
টি-টোয়েন্টি সিরিজের ম্যাচগুলো হবে ২৭ ও ২৯ এপ্রিল এবং ২ মে। ছোট সংস্করণের সিরিজের দল এখনো ঘোষণা করেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচকেরা। তবে টি-টোয়েন্টি দলে শরীফুলের থাকার সম্ভাবনা প্রবল। পিএসএলের জন্য শরীফুলকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দিয়েছিল বিসিবি। জালমির অনুরোধে শরীফুল এবং রানাকে বাড়তি একটি ম্যাচ খেলার অনুমতি দেয় সংস্থাটি। গত ১৩ এপ্রিল মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে সে ম্যাচ খেলে দেশে ফিরেছেন তাঁরা।
জালমির হয়ে ৫ ম্যাচে শরীফুলের শিকার ২ উইকেট। প্রথমবার পিএসএল খেলতে গিয়ে মুগ্ধ এই পেসার। দলের সর্বোচ্চ সাফল্যের জন্য আশাবাদী তিনি। জালমির ফেসবুক পেজে দেওয়া ভিডিও বার্তায় শরীফুল বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, জালমি পরিবারের সঙ্গে দারুণ একটা সময় কেটেছে। সময়টা আমরা উপভোগ করেছি। সবাই দুর্দান্ত। কোচদের পাশাপাশি জালমির সংস্কৃতিও ভালো লেগেছে। আমরা নতুন কিছু শিখতে পেরেছি। অনুশীলন বলুন কিংবা ম্যাচ আমরা সবকিছুই উপভোগ করেছি। যদি সম্ভব হয়, আমি আবারও আসব (পিএসএলে)। আমাদের সাপোর্ট করতে থাকুন। আশা করছি আমরা শিরোপা জিতব ইনশা আল্লাহ।’

বিশ্বকাপের ফাইনালে আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের চ্যালেঞ্জ। শিরোপা নির্ধারণী এই লড়াইয়ের আগে দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান বলছে, কেউই কারও চেয়ে এগিয়ে নেই।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
১ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি মুহূর্তকেই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখছেন লিওনেল মেসি। ১-১ গোলে সমতা ফেরার পর আর্জেন্টিনা বুঝতে পেরেছিল, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আর আগের মতো লড়াইয়ের অবস্থায় নেই। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়ার বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মেস
৩ ঘণ্টা আগে