
নিউজিল্যান্ডের কাছে প্রথম ওয়ানডেতে হারকে পাশ কাটিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছিল উইকেটের আচরণ। যেখানে মানিয়ে নিতে রীতিমতো সংগ্রাম করতে দেখা গেছে বাংলাদেশের ব্যাটারদের। শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিম এবং নাজমুল হোসেন শান্তর বিদায়ের পর সাইফ হাসান-লিটন দাস জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।
এই জুটি ভাঙার পর ভুগতে দেখা গেছে বাংলাদেশের মিডলঅর্ডারকে। ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে জয়ের পথটা কঠিন করেছেন লিটন, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজরা। শুধু যে ব্যাটারদের জন্য উইকেট কঠিন ছিল তেমন না। প্রথম ওয়ানডের উইকেট পেসারদের জন্যও প্রত্যাশিত আচরণ করেনি—সংবাদ সম্মেলনে এসে সে কথাই শুনিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। তাঁর আশা, বাকি দুই ম্যাচে উইকেট থেকে সহায়তা পাবেন পেসাররা।
উইকেট সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে শরীফুল বলেন, ‘আমরা যখন মিরপুরের উইকেটে খেলি, অনেক সময় ভুল প্রমাণিত হয়। আমরা যে রকম চেয়েছিলাম, যেমন আশা করছিলাম তার থেকে একটু ভিন্ন ছিল। ইনশা আল্লাহ পরবর্তীতে এর থেকে আরও ভালো হবে।’
নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির দলের কাছে হেরে যাওয়ায় অনেক কথা হচ্ছে। কিন্তু শরীফুল মনে করেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্বিতীয় সারির দল বলে কিছু নেই, ‘আন্তর্জাতিক দলে কোনো সময় দ্বিতীয় দল বলে কিছু হয় না। আন্তর্জাতিক দল মানে আন্তর্জাতিক দলই। তারা ঘরোয়াতে ভালো করেই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছে। দ্বিতীয়ত, এক ম্যাচ হারলেও এখনো আমাদের হাতে দুই ম্যাচ আছে। আমাদের ওই সামর্থ্য আছে যে ইনশা আল্লাহ আমরা ঘুরে দাঁড়াব। দেখা যাক পরের ম্যাচে আমরা যদি ঘুরে দাঁড়াতে পারি ইনশা আল্লাহ সিরিজ আমরা জিতব।’
দলের প্রয়োজনে লোয়ার অর্ডার ব্যাটারদের ভালো করার বার্তা দিলেন শরীফুল, ‘আমরা অনুভব করি এমনকি আমরা কাজ করছি (লোয়ার অর্ডারে ভালো ব্যাটিং নিয়ে)। সবশেষ ওয়ানডেতে আমরা কয়েকজন মানে আমি আর রিশাদ যদি একটু ভালো করতে পারতাম ব্যাটিংয়ে, সে ক্ষেত্রে আমার মনে হয় ম্যাচটা আরেকটু গভীরে যেতে পারত। আমার মনে হয়, আমার জন্য ম্যাচটা একটু তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেছে।’

বিশ্বকাপের ফাইনালে আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের চ্যালেঞ্জ। শিরোপা নির্ধারণী এই লড়াইয়ের আগে দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান বলছে, কেউই কারও চেয়ে এগিয়ে নেই।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
১ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি মুহূর্তকেই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখছেন লিওনেল মেসি। ১-১ গোলে সমতা ফেরার পর আর্জেন্টিনা বুঝতে পেরেছিল, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আর আগের মতো লড়াইয়ের অবস্থায় নেই। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়ার বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মেস
৩ ঘণ্টা আগে