
ভিটামিন ই চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। এটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা কোষকে ফ্রি-র্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এটি কোষের ঝিল্লির অখণ্ডতা বজায় রাখে এবং লিপিড পারঅক্সিডেশন প্রতিরোধ করে। ভিটামিন ই ১৯২২ সালে আবিষ্কার করা হলেও প্রথম সংশ্লেষিত হয়েছিল ১৯৩৮ সালে।

প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলের অন্যতম উৎস ডিম। তবে এর উপকার পেতে হলে রান্নার পদ্ধতির দিকে নজর দেওয়া জরুরি। ভুল পদ্ধতিতে ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি বাড়ায়।

সুষম খাবারের প্রধান ছয়টি উপাদানের অন্যতম হলো ভিটামিন। যেমন ভিটামিন এ, বি, সি, ডি, ই, কে। তবে ভিটামিন শরীরের জন্য এমন একটি উপাদান, যা পরিমাণে কম লাগে; কিন্তু এর কাজ অনেক বেশি। এই ভিটামিনের অভাব হলে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া শরীরে দেখা দেয়। শরীরে প্রতিটি ভিটামিনের আলাদা আলাদা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা...

ত্বকের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় ভিটামিন বি খুব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত রাখার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের বি ভিটামিন; যেমন ভিটামিন বি১২, বি৩ বা নায়াসিন, বি ৫ বা প্যান্থোনিক অ্যাসিড, বি ৭ অর্থাৎ বায়োটিন এবং বি২ বা রিবোফ্লাভিন ভীষণ কার্যকরী ভূমিকা রাখে।