আগামী ৩ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার, বিচার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এই সমাবেশ করবে দলটি। এ উপলক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলে জানা গেছে।
জামায়াত সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাম্প্রতিক এক বৈঠকে ঢাকায় মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ জানুয়ারি ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এই সমাবেশ হবে। মহাসমাবেশ সফল করতে ইতিমধ্যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটি হয়েছে। এই কমিটির অধীনে বেশ কয়েকটি উপকমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটিগুলো সমাবেশ সফল করতে একাধিকবার বৈঠকও করেছে। জেলা-উপজেলা পর্যায় থেকেও ঢাকায় লোক আনার চেষ্টা করবে দলটি। সেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের সমাবেশে কয়েক লাখ নেতা-কর্মী ও সমর্থক জমায়েত করার চেষ্টা করবে বলে আশা করছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক নেতা।
এ বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আগামী ৩ জানুয়ারি সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। আগামীকালের মধ্যে আশা করি জানানো হবে আমাদের। বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিশেষ করে ওসমান হাদির শহীদ হওয়ার ঘটনা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ বেশ কয়েকটি ইস্যু সামনে রেখে আমাদের এই সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে।’

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে মো. দেলাওয়ার হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি।
১৮ ঘণ্টা আগে
গুম প্রতিরোধের বাতিল করা অধ্যাদেশটি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে যারা গুমের সঙ্গে জড়িত তাদের হাতে তদন্তের দায়িত্ব না দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
১৮ ঘণ্টা আগে
আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাস। ওই দিন রাত ৯টায় বাংলাদেশ বিমানে ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে তাঁর।
১ দিন আগে
শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনামলে বাংলাদেশে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ভয়াবহ হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এই নৃশংসতার শিকার হয়েছেন বিরোধী দল ও মতের অসংখ্য নাগরিক। তাঁদের অনেকেই এখনো নিখোঁজ। স্বজনেরা বছরের পর বছর ধরে প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন...
২ দিন আগে