প্রচণ্ড গরমে যখন ওষ্ঠাগত জনজীবন, তখন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে ঘন ঘন লোডশেডিং। গরমে আরাম পেতে তাই সবাই ছুটছেন চার্জার ফ্যানের খোঁজে। বিদ্যুৎ থাকা অবস্থায় এ ফ্যানে ঠিকঠাক চার্জ দিয়ে রাখলে বিদ্যুৎ চলে গেলেও কয়েক ঘণ্টা শীতল থাকা যায় স্বচ্ছন্দে।
যা ভাবনায় রাখতে হবে
চার্জার ফ্যান কেনার আগে কয়েকটি বিষয় ভাবনায় রাখতে হবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঘরের আকার। ঘরের আকার বা আয়তন অনুযায়ী ফ্যানের আকার হলে ফ্যানের বাতাস ঘরকে সহজেই শীতল করতে পারবে। এ ছাড়া অন্য যে বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে তা হলো, ফ্যানের ঘূর্ণন গতি। মিনিটে যত বেশি ঘুরতে পারবে বাতাস ততই বেশি হবে। এ ছাড়া ফ্যানের মোটর কতটুকু তাপমাত্রা সহ্য করে ঘুরতে পারবে, ব্যাটারির সক্ষমতা কেমন সেগুলো জানাও জরুরি বিষয়।
বিভিন্ন ব্র্যান্ড
বাজারে নানান ব্র্যান্ডের চার্জার ফ্যান কিনতে পাওয়া যায়। যেমন ভিশন, ওয়ালটন, ক্লিক, সানকা, বিআরবি, যমুনা, সিটি, ন্যাশনাল, এনার্জিপ্যাক, সুপারস্টার, গাজী, নোভা, সিঙ্গার, ফিলিপস, কেনেডি, ডিভেন্ডার, মিয়াকো, সানমুন, ব্রাইটস্টার ইত্যাদি। এসব চার্জার ফ্যান কিনতে পাওয়া যাবে ব্র্যান্ডগুলোর শোরুমে। এ ছাড়া জেলা শহরগুলোর বড় যেকোনো ইলেকট্রনিকসের দোকানেও পাওয়া যাবে এগুলো।
দরদাম
ব্র্যান্ড এবং আকারভেদে ১,০০০ থেকে ১০,০০০ হাজার টাকা দাম পড়ে চার্জার ফ্যানের। দুই বছর থেকে ১২ বছর পর্যন্ত ওয়ারেন্টি কিংবা গ্যারান্টিও পাওয়া যায়।
যা খেয়াল রাখবেন
» অনেক চার্জার ফ্যানে ব্যাটারি পুরোপুরি চার্জ হয়ে গেলে চার্জ নেওয়া বন্ধ করার সুবিধাটি থাকে না। কেনার সময় এ বিষয়টি জেনে নিতে হবে।
» পুরোপুরি শেষ করে চার্জ দিলে তাতে ব্যাটারির ক্ষতি হয়। ফলে একেবারে শেষ হওয়ার আগে চার্জ দিন।
» চার্জার ফ্যানগুলো যেহেতু বিদ্যুৎ এবং ব্যাটারি দুটোতেই চলে, তাই বিদ্যুৎ থাকলেও কিংবা ফ্যানের প্রয়োজন না থাকলেও কিছুক্ষণ ব্যাটারিতে চালালে ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে।
» চার্জার ফ্যানের ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়ে গেলে নতুন ট্রান্সফরমার লাগিয়ে নেওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ফ্যানটিতে যে ট্রান্সফরমার ছিল, ঠিক তেমনটিই লাগানো বুদ্ধিমানের কাজ।

ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের ছবি তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দুটি সাম্প্রতিক ঘটনা এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
২ দিন আগেসকালবেলা অ্যালার্মের কর্কশ শব্দে চোখ মেলা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে শেষ স্ক্রল! এ যুগের মানুষের ২৪ ঘণ্টার রুটিন এখন বন্দী হয়ে গেছে পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চির একটি কাচের স্ক্রিনে। ফেসবুকের নোটিফিকেশন, ইনস্টাগ্রামের রিলস আর ইউটিউব শর্টসের অন্তহীন গোলকধাঁধায় প্রতিদিন হারিয়ে যাচ্ছে
৪ দিন আগে
ঈদের সময় বড় শহরগুলো যেন অচেনা রূপ নেয়। চিরচেনা যানজটের শহর হয়ে যায় একেবারে ফাঁকা। তবে এই ফাঁকা শহরে ঈদের রাতে আত্মীয়ের বাসায় যাওয়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বের হওয়ার সময় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেন অনেকে। চালকের সংখ্যা সীমিত থাকায় বাস্তবতা হলো, বাইক বা গাড়ি পেতে বেশ ঝক্কিতে পড়তে হয় এ সময়।
৪ দিন আগে
নব্বই বা শূন্য দশকের শুরুর দিকের সেই কোরবানির ঈদের দিনগুলোর কথা মনে আছে? হাটের গরু নিয়ে তুমুল উত্তেজনা কিংবা ঈদের দিন সকাল থেকে মাংস কাটাছেঁড়ার বিশাল ব্যস্ততা। এর মাঝেও আমাদের শৈশবের একটা বড় অংশজুড়ে থাকত ঈদ কার্ড। ঈদের আগের রাতে ড্রয়িংরুমে বসে একদিকে বড়রা যখন মাংস বিলি-বণ্টনের
৪ দিন আগে