
চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহরে গ্যাস না পেয়ে আজ শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করেন কয়েকশ সিএনজি অটোরিকশাচালক। অবরোধে মুরাদপুর থেকে দুই নম্বর গেইট পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ চালকদের সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

সিরাজগঞ্জ শহরের একমাত্র সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস-সংকটে দুর্ভোগে পড়েছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও বিভিন্ন গাড়ির চালকেরা। গ্যাস নিতে কেউ ২৪ ঘণ্টা, কেউ ২৭ ঘণ্টা, আবার কেউ ২৮ ঘণ্টা ধরে লাইনে অপেক্ষা করছেন। অনেক চালক রাতে নিজেদের গাড়িতেই ঘুমিয়েছেন। এতে সড়কে যাত্রীরাও যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এমনিতেই দেশে গ্যাসের ঘাটতি দিনে মোটামুটি এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নতুন করে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে বাসাবাড়িতে রান্নার চুলা যেমন অচল হয়েছে, তেমনি সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও চলছে যানবাহনের দীর্ঘ অপেক্ষা।

নারায়ণগঞ্জে গ্যাসের সংকট এবং চাপ কম থাকায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস মিলছে না। অনেকে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করেও গ্যাস পাচ্ছেন না। গ্যাসসংকট ছড়িয়ে পড়েছে শিল্প কারখানাতেও। গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত...