
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রাতারাতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সরকারের কাজ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা, অপরাধ দমন করা, কিশোর গ্যাং দমন করা, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করা। তবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সবার সহযোগিতা থাকা দরকার।

পরিবেশ ও নগর ব্যবস্থাপনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খাল-বিল ও নদীদূষণ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ জন্য বাড়ির মালিকদের সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে। পরিবেশ ও জলবায়ুসংকট মোকাবিলায় সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

দূষণ নিয়ন্ত্রণ বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, বায়ু, পানি ও বর্জ্য দূষণ কমাতে সরকার বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। একই সঙ্গে কার্বন মার্কেট থেকে কার্বন ক্রেডিট অর্জনে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতাও চেয়েছে বাংলাদেশ।

সারা দেশে পাঁচ হাজার অবৈধ ইটভাটা বন্ধে প্রশাসকদের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে পরিবেশ মন্ত্রণালয় এসব কথা জানায়।