
জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার বিএনপির কোনো ইচ্ছা ছিল না। ওনার এই বক্তব্যের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন নির্বাচনী প্রচারণায় হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ভোট চেয়েছিলেন, উনি তাহলে ওই সময় মিথ্যাচার করেছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের স্বার্থে আমরা অনেক কথা বলিনি। আমাদের একটা তাগাদা ছিল যে—এরা সংস্কারের বাহানায় যদি নির্বাচনটা না হতে দেয়, সে জন্য আমরা সবকিছুতে আপস করে জুলাই জাতীয় সনদেও স্বাক্ষর করেছি। আমরা একত্র হয়েছি, সমঝোতা হয়েছে।’

সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সরকারি দল। তাদের পক্ষে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান আজ বুধবার জাতীয় সংসদে এই প্রস্তাব দিয়ে বলেন, সরকারি দলের পক্ষে ১২ জনের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে বিএনপির ১২ জন এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ও অন্যান্য দলের পাঁচজন রয়েছেন।

জুলাই সনদকে অপ্রয়োজনীয় বলায় জাতীয় সংসদে আজ সোমবার কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা তৈরি হয়। সরকারি দলের একজন সদস্য ওই মন্তব্য করার পর প্রতিবাদ জানান বিরোধী দলের এক সদস্য। এ সময় সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা হইচই করতে থাকলে তাঁদের থামান স্পিকার।