
জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ বাস্তবায়নে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সুশাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদরা। তাঁদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতি ও কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর নীতির পাশাপাশি জ্ঞানভিত্তিক

সম্প্রতি বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বাজেট উপস্থাপনা-পরবর্তী সময়ে আলোচনার বিষয়বস্তু হচ্ছে, বাজেটের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন কোথা থেকে হবে; ব্যয়ের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী হওয়ার সুযোগ কতখানি; কিংবা বাজেটে প্রস্তাবিত উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নের অন্তরায়গুলো কীভাবে উতরানো যাবে?

আসন্ন অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ খাতটিতে এই বড় বরাদ্দ বৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ ও জনস্বাস্থ্যবিদেরা। সরকার স্বাস্থ্য খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অংশ হিসেবে এ বরাদ্দ বৃদ্ধির কথা বলছে।

আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে চলতি অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের এ পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শিক্ষাবিদেরা। তবে তাঁরা বলছেন, বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যবহারে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।