
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় খামারের আড়ালে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির চাঞ্চল্যকর ঘটনা ফাঁস হয়েছে। উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মাসক গ্রাম থেকে ১১টি জীবিত ও আটটি জবাই করা ঘোড়া উদ্ধার করেছে প্রশাসন। স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। স্থানীয়রা জড়ো হয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে অনুসন্ধান চালালে ঘোড়া জবাই করার দৃশ্য দেখতে পান। এ সময় গ্রামবাসীর উপস্থিতি টের পেয়ে কসাই ও সহযোগীরা পালিয়ে যান।
পরে উত্তেজিত গ্রামবাসী ঘোড়া পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভাঙচুর করে এবং একটি কাভার্ড ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়দের দাবি, জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে গরুর খামারের আড়ালে ঘোড়ার মাংসের অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তিনি কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন। সম্প্রতি এলাকায় ফিরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুনরায় এই অপকর্ম শুরু করেন। বাড়িটি নির্জন এলাকায় হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত কম ছিল; যা তিনি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করতেন।
খবর পেয়ে গাজীপুরের সহকারী কমিশনার স্থানীয় সরকার শাখা ও ট্রেজারি শাখা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধির দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সাল সেখানে অভিযান চালান।
অভিযান শেষে তিনি জানান, অভিযান পরিচালনা করে ওই বাড়ির ভেতরে আটটি জবাই করা ঘোড়া পাওয়া গেছে এবং ১১টি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। পরে জবাই করা ঘোড়াগুলো মাটি চাপা দেওয়া হয়। জীবিত ঘোড়াগুলো স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়েছে। একটি কাভার্ড ভ্যান ও একটি পিকআপ পুলিশের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
অভিযানের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কাপাসিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ কে এম আতিকুর রহমান, ভেটেরিনারি সার্জন আবদুল্লাহ আল মামুন, দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ ওহাব খান খোকা, কাপাসিয়া থানার উপপুলিশ পরিদর্শক জিহাদুল হক প্রমুখ।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো জয় পেল জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী ৯১ হাজার ১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।
২২ মিনিট আগে
বাগেরহাটের চারটি আসনেই গণভোটে নিরঙ্কুশভাবে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হয়েছে। আসনগুলোতে ৫ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৯টি ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে। এর বিপরীতে ‘না’ ভোট বেছে নিয়েছেন ৩ লাখ ২০ হাজার ৫৫৭ জন।
২৭ মিনিট আগে
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আট প্রার্থী। এর মধ্যে পাঁচজনই তাঁদের জামানতের টাকা হারিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান সরকার।
১ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জাতীয় গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি জয়ী হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
১ ঘণ্টা আগে