
২০১৬ সালের কথা। দেশের গমচাষিরা হয়তো এখনো ভুলে যেতে পারেননি সেই দুঃস্বপ্নের কথা। একদিন সকালে তাঁরা খেতে গিয়ে দেখতে পেলেন, সবুজ-সোনালি শিষগুলো রাতারাতি সাদা হয়ে গেছে। প্রথমে কেউ বুঝতেই পারেননি কী হয়েছে। পরে জানা গেল, এশিয়ার মাটিতে এই প্রথম হানা দিয়েছে গমের ব্লাস্ট রোগ।

আপনি কি নতুন ওষুধ আবিষ্কার, জিনগত রোগের সমাধান কিংবা ক্যানসারের মতো মরণব্যাধির চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করে বিশ্বকে বদলে দিতে চান? যদি এমন স্বপ্ন থাকে, তাহলে ফার্মেসি ও বায়োটেকনোলজি হতে পারে আপনার জন্য সম্ভাবনাময় দুটি বিষয়।

তাপপ্রবাহের পূর্বাভাসে ফ্রান্সে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) কেনার হিড়িক পড়েছে। শুধু ইউরোপ-আমেরিকার ধনী দেশগুলোয়ই নয়, বাংলাদেশেও সরকারি-বেসরকারি ভবন-বাসাবাড়ি, শপিং মলসহ বিভিন্ন জায়গায় পরিবেশ আরামদায়ক করতে এই যন্ত্রের ব্যবহার হয়। এমনকি দেশের অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারেও এসির ব্যবহার হচ্ছে।

আমরা জগদীশচন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, কুদরাত-এ-খুদা, মুনীর চৌধুরীর উত্তরসূরি। এই লেখায় আমি বোঝার চেষ্টা করব, জাতি হিসেবে আমাদের দেখলে আসলেই এই মহামানব উদ্ভাবকদের উত্তরসূরি মনে হয় কি না। প্রযুক্তি হলো এমন একটি ব্যাপার, যা রাতারাতি আমাদের জীবনপদ্ধতি অনেকখানি পাল্টে দেয়—বৈদ্যুতিক বাতি, মুঠ