
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে আজারবাইজানে বিশেষ বাহিনী ও মোসাদ এজেন্ট মোতায়েন এবং সোমালিল্যান্ডে যুদ্ধবিমান জ্বালানি ভরার ঘাঁটি পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। সিএনএনের প্রতিবেদনের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আজারবাইজান।

জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে আজারবাইজান ও বাংলাদেশ। বিশেষ করে আজারবাইজান থেকে বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগের সুযোগ। এ তথ্য জানিয়েছেন আজারবাইজানের জ্বালানিমন্ত্রী পারভিজ শাহবাজভ।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাব এবার ছড়িয়ে পড়েছে দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলেও। সীমান্তে ড্রোন হামলার অভিযোগ তুলে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়াল এবার আজারবাইজান। দেশটির সরকার জানিয়েছে, নিরাপত্তার কারণে তারা ইরান থেকে নিজেদের কূটনৈতিক কর্মীদের ফেরত নিয়েছে।

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর আজারবাইজান এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ বাকু থেকে রাশিয়ার গ্রোজনি যাওয়ার পথে কাজাখস্তানের আকতাউয়ের কাছাকাছি স্থানে বিধ্বস্ত হয়। এতে ৩৮ জনের প্রাণহানি ঘটে। এ ঘটনার শুরু থেকে ধারণা করা হচ্ছিল, এর পেছনে রাশিয়ার হাত ছিল।