
ইতিহাস বলে, শক্তিশালী দেশগুলোর সাধারণত বন্ধু কম থাকে। রাশিয়ার উত্থানে তার প্রতিবেশীরা ন্যাটোতে যোগ দিয়েছে, চীনের উত্থানে এশিয়ায় ভারত-জাপান-ভিয়েতনাম একে অপরের কাছাকাছি এসেছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে গত ৮০ বছর ধরে চিত্রটি ছিল ভিন্ন।

২০২৫ সালের গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, লাতিন আমেরিকায় সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ব্রাজিলের, যার বৈশ্বিক অবস্থান ১১তম। মেক্সিকোর অবস্থান ৩২তম, কলম্বিয়া ৪৬তম, ভেনেজুয়েলা ৫০তম এবং কিউবা ৬৭তম। সক্রিয় সেনাসংখ্যা, সামরিক বিমান, যুদ্ধের ট্যাংক, নৌযান এবং সামরিক বাজেট—সব সূচকেই এসব...

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে আনার পর লাতিন আমেরিকার আরও তিন দেশের প্রতি সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রে মাদক চোরাচালানে সরকারের সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্টের অভিযোগ তুললেন কিউবা, মেক্সিকো ও কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে।

উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রতিবেশী দেশে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে চাপ প্রয়োগ করলেও ভেনেজুয়েলার ঘটনাটি নজিরবিহীন। কারণ, এভাবে সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে একটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে তুলে নেওয়া এবং সরাসরি সে দেশ পরিচালনার ঘোষণা দেওয়ার মতো নগ্ন সাম্রাজ্যবাদের উদাহরণ আর নেই।