
ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, পরিবারের সঙ্গে রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে সেহরির আগেই ঝড়ে তাঁর ঘরের চালা উড়ে যায়। তিনি বলেন, ‘ঈদের মাত্র তিন দিন আগে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।’ তাঁর মতো আরও অনেক পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় মোট ৩৩টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে ১৭টিরই কোনো ধরনের অনুমোদন নেই। জনবসতি এবং এর আশপাশে গড়ে তোলা এসব ভাটা থেকে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া বাতাসের সঙ্গে মিশে আশপাশের গাছপালা ও কৃষিজমির ক্ষতি করছে।

ইসমাইল জানান, চার মাস আগে তিনি চরফ্যাশন সদরের একটি দোকানে সিম কার্ড কিনতে যান। সিম নিবন্ধনের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করতে গিয়ে দোকানদার জানান, তাঁর আঙুলের ছাপের সঙ্গে এনআইডির তথ্যের মিল পাওয়া যাচ্ছে না। পরে বিষয়টি জানতে তিনি উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় অবৈধ সেচপাম্পের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অস্বাভাবিক হারে নিচে নেমে গেছে। এতে ওই উপজেলার পাঁচটি এলাকার প্রায় ১ লাখ ৮১ হাজার মানুষ সুপেয় পানির অভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।