
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন রোববার (৪ জানুয়ারি) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—মূলত রাজনৈতিক কারণেই দেশে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেছে।

কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, তদন্ত অনুযায়ী, বরিশালের বলেশ্বর নদে সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের ঘটনা ঘটেছে। শত শত গুমের শিকার ব্যক্তিকে হত্যা করে এই নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বুড়িগঙ্গা নদী ও মুন্সিগঞ্জে লাশ গুম করে ফেলার প্রমাণ তদন্তে পাওয়া গেছে।

অভিযোগের বিবরণীতে সজীবের মা সেতেরা বেগম উল্লেখ করেন, তাঁর সাত বছরের মেয়ে হুমায়রা আক্তারকে প্রতিবেশী শুক্কুর আলীর পরিবার হত্যা করে লাশ গুম করে। এ ঘটনায় ২০২২ সালের ২৯ জুলাই তিনি সোনারগাঁ থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলার আসামিরা সম্প্রতি আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে বাদী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার...

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ২১ জানুয়ারি দিন ঠিক করা হয়েছে।