রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
গতকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে কনভেনশন (Convention against Torture and Other Cruel, Inhuman or Degrading Treatment or Punishment— CAT)–এর অনুচ্ছেদ ১৪ (১)-এর বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্লারেশন প্রত্যাহারের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
কনভেনশনটি ১৯৮৪ সালে গৃহীত হয় এবং বর্তমানে ১৭৩টি রাষ্ট্র এটি অনুসমর্থন করে। বাংলাদেশ ১৯৯৮ সালে CAT চুক্তিতে অনুসমর্থন করে।
কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ১৪ (১)-এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ মোট পাঁচটি রাষ্ট্র—বাহামা, ফিজি, নিউজিল্যান্ড, সামোয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র—চুক্তিতে যোগদানের সময় রিজার্ভেশন (অনাপত্তি না দেওয়া) দিয়েছিল। সেই রিজার্ভেশনের ফলে এত দিন যাবৎ রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায্য ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল না।
রিজার্ভেশন প্রত্যাহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পথ সুগম হলো। এর ফলে নির্যাতনে ভুক্তভোগীর মৃত্যু ঘটলে, তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিরাও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হবেন।
উপদেষ্টা পরিষদ মনে করে, এই সিদ্ধান্ত একটি যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এতে করে মানবাধিকার সংরক্ষণে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে। এটি বাংলাদেশের মানবাধিকারকর্মীদের দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের দাবি ছিল।
উল্লেখ্য, এদিন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ ও প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বৈঠকে ছয়টি অধ্যাদেশ, তিনটি প্রস্তাব এবং একটি নীতি আদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।

ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশ গায়ানার রাজধানী জর্জটাউনে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বা ফার্স্ট সেক্রেটারি পর্যায়ের একটি নতুন কূটনৈতিক মিশন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাংলাদেশি দূতাবাস ও মিশনসমূহ থেকে প্রয়োজনীয় জনবল
২ ঘণ্টা আগে
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবি আদায়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। দাবি মানা না হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে ভুখা মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা। এর আগে ১ থেকে ৩
৪ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে যে কোনো সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ চোখে পড়লে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে অবহিত করার জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এহছানুল হক বলেন, ‘অতীতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এ ধরনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না থাকায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে নির্বাচন কমিশন সুস্পষ্ট বিধিনিষেধ আরোপ করায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আর
৫ ঘণ্টা আগে